বর্তমান সরকার দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে নানামূখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে। তারই অংশ হিসাবে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে শেখ হাসিনার সরকার দেশের প্রাণী সম্পদ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এর মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ সহায়তা দিয়ে আসছে। মহামারী করোনাকালীন সময়ে সরকার এই খাতে বিশেষ প্রনোদনা দিয়ে খামারিদের পাশে দাড়িয়েছে। সরকারের দেওয়া সহায়তা কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে দাকোপে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২২ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এ কথা বলেন। তিনি সফল খামারিদের হাতে পুরুস্কার তুলে দিয়ে বলেন একদিকে পুষ্টি এবং আমিষের চাহিদা পুরন অন্যদিকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন। যে কারণে আমাদের সুযোগের শতভাগ কাজে লাগিয়ে নিজের ভাগ্য উন্নয়নের সাথে সাথে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। “পুষ্টি মেধা দারিদ্র বিমোচন প্রানি সম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন” এই প্রতিপাদ্যে প্রানি সম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম চন্দ্র হালদার। দাকোপ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রানি সম্পদ বিভাগের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ সুখেন্দু শেখর গায়েন, খুলনা জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অরুন কান্তি মন্ডল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক নিজামী, জেলা পরিষদ সদস্য কে,এম কবির হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র শেখ মেহেদী হাসান বুলবুল। বক্তৃতা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা, সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রবির রায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আবদুল কাদের, পানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহমেদ, দাকোপ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন ছাব্বির, বোরহান উদ্দিন, সফল খামারী মোঃ শরিফুল ইসলাম, সেলিম হোসেন, জগবন্ধু গাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রানি সম্পদ সম্প্রসারন অফিসার সিফাত হোসাইন জয়া। প্রদর্শনীতে ৩০টি ষ্টলে বিভিন্ন ধরনের প্রানি প্রদর্শন করা হয়।