বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ের আরো ১৪৫ টি ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ভূমিসহ ঘর বরাদ্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টি ইউনিয়নে ৪৫ টি ঘর নির্মানের কাজ চলছে। আরো ১০০ টি ঘরের নির্মান কাজ শুরু হবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ময়নুল ইসলামের তত্বাবধানে দ্রুত এগিয়ে চলছে। নিয়মিত নির্মান কাজের তদারকি করছেন তিনি। এছাড়াও সমানতালে শেরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার শিউলীসহ সংশ্লিষ্টরাওপরিদর্শন করছেন।
সরেজমিনে উপজেলার মির্জাপুর, ভবানীপুর, গাড়ীদহ ও বিশালপুর ইউনিয়নের প্রকল্প এলাকাসমুহ ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ ঘরের নির্মান কাজ কোথাও ৪০ ভাগ, কোথাও ৫০ ভাগ আবার কোথাও ৭০ ভাগ ইটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য যেমন রয়েছে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি তেমনি ব্যস্ততা নির্মান কর্মীদের। এছাড়াও অতিরিক্ত আরো ১০০টি ঘর বরাদ্ধ পাওয়া গেছে যারমধ্যে থেকে ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। বিশালপুর ইউনিয়নের সুবিধাভোগীদের সাথে কথা বলে তাদের অনুভূতি জানতে চাইলে তার জানান“ কবে স্বপ্নের ঘরে উঠবে সেই অপেক্ষায় আনন্দচিত্তে অপেক্ষা করছেন তারা।”
মুজিববর্ষে “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম অন্যান্য এলাকার মত শেরপুরেও চলমান। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার শিউলীর দেয়া তথ্যানুযায়ী মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সারাদেশে অর্ধলক্ষেরও বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেয়া হচ্ছে। শেরপুর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৮ টি ইউনিয়নে ১৬৩ টি ২য় পর্যায়ে ৫ টি ইউনিয়নে ১৭ টি ঘর নির্মান করা হয়েছে এবং তৃতীয় পর্যায়ে ১৪৫ টি ঘর নির্মান করা হবে।
এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ময়নুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তৃতীয় পর্যায়ের ১৪৫টি ঘরের মধ্যে ৭৫ টি ঘরের কাজ এগিয়ে চলেছে। বাকি ঘরগুলোর কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে শুরু বলে আশা করছি। মুজিববর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য আমি এবং আমার টিম সর্বদা সচেষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষে প্রকৃত গৃহহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ঘর বুঝিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।