বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে হৈ চৈ হট্টগল হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন নিয়ে ডাকা রোববার বিকাল ৪টার দিকে বিশেষ বর্ধিত সভায় এ হট্টগল, হৈ চৈ হয়। ফুলবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সভাপতি মমতাজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম নিপুকে পক্ষ নিয়ে সাংসদের সাফাই বক্তব্য দেওয়ায় ঘটনার মূল কারন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এজন্য রোববার সকালে বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু। সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় সাংসদ ও সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাদারা মান্নান। সকাল ১১টায় শুরু হয় ওই সভা। বিভিন্ন পর্যায়েরর নেতা-কর্মীদের বক্তব্য শেষে সমাপনি বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর উদ্দেশ্যে সাংসদ সাহাদারা মান্নান বলেন, ফুলবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজুর রহমান ও সম্পাদক ফজলুল করিম নিপুকে বহিস্কার করার কারণ কি? উপজেলা আওয়ামীলীগকে পাশকাটিয়ে জেলা কমিটির বহিস্কার সংগঠন বিরোধী। করোনায় আক্রান্ত হলে নেতারা কিভাবে ইউপি নির্বাচনী প্রচারনার কাজ করবেন। ওই দুই জন কখনই আমাদের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেননি। এ সময় অনির্ধারিত বক্তব্যে ফুলবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও চেয়ারম্যান বলেন, ওই দুই জন (মোন্তেজার ও নিপু) আমার বিপক্ষে কাজ করেছেন তার অকাট্য প্রমাণ আছে। তাদের বহিস্কার করা নিয়মের মধ্যেই হয়েছে। এ সময় বাক বিতন্ডা, হট্টগল ও হৈ চৈ শুরু হয়ে যায়। উপস্থিত নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পরপরই উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে একদল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মমতাজুর রহমান বলেন, ফুলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের কেউ নন। তিনি সভায় অনধিকার প্রবেশ করেছেন। আমরা সম্মান দেখিয়ে তাকে কিছু বলিনি। কিন্তু এমপি মহোদয়ের সাথে এ ধরনের আচরণ করা ঠিক হয়নি। সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী বেলাল হোসেন বলেন, সভা ওই ঘটনায় আমরা ধৈর্য্য ধারণ করেছি। তা না হলে বড় ধরনের কোন অঘটন ঘটতে পারতো। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মন্টু সহ প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলো।