আর কয়েকদিন পরেই আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এদিন হাজারো ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলিতে সিক্ত হবে ভাষা শহীদ মিনার। অথচ সুজানগরের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মিত ভাষা শহীদ মিনার গুলো জরাজীর্ণ এবং অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬সালে সরকারি অর্থায়নে প্রায় চার লক্ষ ৬০হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার ১৫৩টি মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ীভাবে ভাষা শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। প্রতি বছর মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ওই সকল শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। অথচ উপজেলার ২/৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাষা শহীদ মিনার ব্যতীত অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনার গুলো অযতœ অবহেলায় পড়ে আছে। শুধু তাইনা ওই সকল শহীদ মিনার দেখতেও বেমানান। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবদুল মজিদ সরদার বলেন মাতৃভাষার জন্য আত্মাহুতি দেওয়া শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনার হওয়া উচিত দৃষ্টিনন্দন এবং মর্যাদাপূর্ণ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মিত ভাষা শহীদ মিনার গুলো অত্যন্ত অমর্যাদাকর এবং যেনতেন জায়গায় নির্মিত। তাছাড়া অনেক শহীদ মিনারের পলস্তারা খুলে গেলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংস্কার করেন নাই। এভাবেই পড়ে আছে দিনের পরদিন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রওশন আলী বলেন শিগগিরই ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনারের যথাযথ মর্যাদা রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে।