ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আত্মীয়ের পক্ষে কাজ করায় মো. হাসান মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই ব্যক্তির খারকুটের বাড়িতে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজন করা এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আনা হয়।
হাসানের ভাই বাবু মিয়া বলেন, 'আমার ভাই একজন সহজ সরল প্রকৃতির লোক। আখাউড়া মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে আমাদের আত্মীয় আলম মিয়া প্রার্থী হলে তার পক্ষে কাজ করেন আমার ভাই। এতে ক্ষিপ্ত হন অপর এক প্রার্থীর লোকজন। পাশাপাশি হাসান ভাই মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। এ কারণে তাকে মাদকসহ ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি ভাইকে ধরে নিয়ে মাদকসহ মামলা দেয় র্যাব।'
এ সময় হাসানের স্ত্রী শারমিন আক্তার জানান, এক আত্মীয়ের লাশ দেখে বাড়ি ফিরতে ছিলাম। পথিমধ্যে আমাদের অটোরিকশাটি আটক করে কয়েক ব্যক্তি তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যান। পরে জানতে পারেন তারা র্যাব সদস্য। মামলা তুলে দেখেন মাদকসহ আটকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
শাহজাহান মিয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, 'হাসান যে মাদক ব্যবসা করে না সেটা গ্রামের সবাই জানে। আর যদি সে ব্যবসাই করতো তাহলে বাড়ির দিকে কেন যাবে মাদক নিয়ে।'
এব্যাপারে মনিয়ন্ধ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ ং ওয়ার্ডের নব নির্বাচিত মেম্বার রফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন সে একজন মাদক ব্যবসায়ি। এলাকার মানুষের সাথে কথা বললে সত্যতা জানতে পারবেন।