পিরোজপুরের ইন্দুরকাতেী চন্ডিপুর ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিজয়ী প্রার্থী ও পরাজিত প্রার্থীদের সমর্থকদের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নরে কলারণ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার হাটে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার ইউপি নির্বাচনে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে শাহাদাৎ হোসেন হিরু তালুকদার বিজয়ী হয়। নির্বাচনের পরের দিন মঙ্গলবার কলারণ তালুকদার হাটে ওই ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থী সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহান হাওলাদার ও তার সমর্থকরা ওঠলে দুই পক্ষের মধ্যে কথার কাটাকাটিতে এক পর্যায় সংঘর্ষে রুপ নেয়।
পরাজিত প্রার্থী শাহজাহান হাওলাদারের চাচাত ভাই ফারুক তার ভাইর সমর্থন না করে হিরু তালুকদারের সমর্থন করা নিয়ে পরাজিত প্রাথীর সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতান্ডায় এ হামলার সত্রূপাত হয়। হামলায় পরাজিত প্রার্থী শাহজাহান হাওলাদার, আনিসুর রহমান হাওলাদার, শাসুল হক হাওলাদার, রুবেল হওলাদার আহত হয়। অপরদিকে হিরু তালুকদারের সমর্থকদের মধ্যে ফারুক হাওলাদার, শামীম হাওলাদার, সোহেল হাওলাদার, সবুজ তালুকদার, মাসুদ তালুকদার, নাসির উদ্দিন, সহ প্রায় ১২ জন আহত হয়। গুরুতর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ইন্দুরকানী থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির ওসি (তদন্ত ) শামীম আহম্মেদের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। বিজয়ী ইউপি সদস্য শাহাদৎ হোসেন হিরু তালুকদাার জানান, আমার সমর্থকরা তালুকদার বাজারে আসলে পরাজিত সদস্য প্রার্থী শাহজাহান হাওলাদারের লোকজন ভোট না দেয়ার অভিযোগ এনে আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালায় এতে আমার ৬ থেকে সাত জন কর্মী আহত হয়। অপরদিকে পরাজিত সদস্য প্রার্থী শাহজাহান হাওলাদার জানান, আমরা তালূকদার বাজারে আমার সমর্থকদের সাথে দেখা করতে গেলে কোন উসকানী ছাড়াই হিরু আলুকদারের লোকজন আমাকে সহ আমার সাত আট জন সমর্থকদের পিটিয়ে কুপিয়ে আহত করেছে। এ বিষয় আমি আইনি সহায়তা নিব।
ইন্দুরকানী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শামীম আহম্মেদ জানান, বিজয়ী ও পরাজিত দুই মেম্বর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে কথার কাটাকাটিতে সংঘর্ষের সুত্রপাত হয়। হামলায় ৬ থেকে ৭ জন আহত হয়েছে বলে উভয় পক্ষের দাবী। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছে।