মণিরামপুরের ছয় বছর বয়সী মানহা ইসলাম আরিশা। সে পৌর শহরের প্রতিভা বিদ্যানিকেতনে সবেমাত্র কেজি’তে ভর্তি হয়েছে। এরইমধ্যে ইয়োগা প্রতিযোগীতায় স্বর্ণপদক জিতে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। মণিরামপুরের দূর্গাপুর গ্রামের দিলশাদ ও রাবেয়া খাতুন মৌসুমী’র একমাত্র মেয়ে আরিশা।
জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি অনলাইন (ভিডিও কনফারেন্স) মাধ্যমে ভারতে কানপুরে ওয়ার্ল্ড ইয়োগা চ্যাম্পিয়ানশীপ প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় আরিশা। ৩১ জানুয়ারী প্রতিষ্ঠানটি জেনারেল সেক্রেটারি সোবিত পান্ডে ফলাফল ঘোষণা করেন। এতেই আরিশাকে তারা কৃতিত্বের প্রথম সারিতে নিয়ে আসে। কেবল আরিশা নয় এই মর্যাদায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের আরো তিন শিশু।
শিশুরা ইয়োগা প্রতিযোগীতায় চ্যাম্পিয়ান লাভ করায় স্বর্ণপদকে ভূষিত করেন তাদের। মণিরামপুরের শিশু আরিশার এ অভাবনীয় সাফল্য দেশবাসিকে নজর কেড়েছে এবং তার স্বর্ণপদক বিজয় স্যোসাল মিডিয়ায় চলে আসে তখন তাকে নিয়ে সবখানেই আলোচনা বইতে থাকে। যে কারণে এখন আরিশার মা’র মতো অনেকে তার বাচ্চাদের নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন।
আরিশার মা মৌসুমী জানান, দুই বছর বয়স থেকে আরিশাকে নিয়মিত প্রশিক্ষণে রাখা হয়েছে। তার বাবা দিলশাদ বলেন, আমার ছয় বছরের মেয়ে আরিশা আমাকে চোখ খুলে দিয়েছে। স্বর্ণপদক জিতে সমাজের কাছে আরিশায় আমার পরিচিত বাড়িয়ে দিয়েছে।
আরিশা’র প্রশিক্ষক মণিরামপুরের জুজুৎসু কারাতের স্থানীয় প্রশিক্ষক আবু সুফিয়ান স্বর্ণ পদকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার সকল প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে মানহা ইসলাম আরিশা ছিলো অন্যতম। তিনি আর বলেন, তার মধ্যে যে লুকায়িত প্রতিভা রয়েছে এভাবে চর্চা করলে সে ভবিষ্যতে আর উচ্চপর্যায়ে স্থান পাবে।