দিঘলিয়া উপজেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবারো বেড়ে চলেছে। তৃতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৭০ জন। উপজেলায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। মোট ১লাখ ৫৩ হাজার ৯৮৭ জনের মধ্যে মাত্র ৯ হাজার ৪১ জন প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফাইজারের টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৭৩২ জন। দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে করোনার সংক্রমণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। গোটা উপজেলায় স্বাস্ব্যসেবা রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। উপজেলার সর্বত্র স্বাস্থ্য বিধি মানার ব্যাপারে সাধাররণ মানুষের উদাসিনতা ও শতভাগ মানুষ টিকার আওতায় না আসায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সূত্র থেকে জানা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায়, উপজেলার প্রায় প্রতিটা পরিবারে সকল বয়সের অধিকাংশ সদস্য জ্বর, হাঁচি, কাশিসহ ভাইরাস জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুবুল আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ শিরিন ময়নাসহ উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট রুবিনা পারভিন, প্রীতি লেখা মৃধা, লাইজু আক্তার, ফার্মাসিস্ট নাসরিনা, নার্স নুসরাত শবনম, সিএইসসিপি নুপুর আক্তারসহ ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত সকলে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। এ পর্যন্ত উপজেলায় আক্রান্ত ৭৭০ জন।মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জন। মোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৮৭ জন নানুষের মধ্যে মাত্র ৯ হাজার ৪১ জন প্রথম ডোজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফাইজারের টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৭৩২ জন। তবে বেসরকারী হিসেব মতে এ সংখ্যা অধিকতর হবে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়। দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে, হাটে-বাজারে, সামাজিক অনুষ্ঠানে, খেলার মাঠে কাথাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কারণে এহেন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। অপর দিকে দিঘলিয়ার ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দিকাশি, হাঁচিসহ ভাইরাস জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকে টেস্ট না করিয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যার কারণে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল আলম এ প্রতিবেদককে জানান, করোনায় আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বকল্প নেই। কেউ আক্রান্ত হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।