বসন্ত আসুক আর নাই আসুক আম গাছে মুকুল ফুঠতে শুরু করছে। ঋতুরাজ বসন্ত না আসলেও পিরোজপুরের নেছারাবাদে অধিকাংশ গাছেই আমের মুকুল এসেছে। ঘোটা এলাকা ঝুড়ে মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত। স্থানীয় আম চাষীরা জানান, বিভিন্ন এলাকা জুড়ে শীতের তীব্রতা বিরাজ করলেও আগাম জাতের সব আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। ভরা শীত পৌষের শেষের দিকে গাছে মুকুল আসতে শুরু করলেও মাঘের শুরুতেই বাররোমাসী, দেশী-বিদেশী সব ধরনের গাছেই পরিপূর্ণ মুকুল ধরছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আমের বাম্পর ফলনের আশা করছেন চাষীরা। এতে চাষীরা খুশী হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছে শঙ্কা তারা বলছেন, ভরা শীতে গাছে মুকুল আসা ভাল নয়। মাঘের শেষ দিকে মুকুল আসা ভাল, এত ফলন ভাল হয় এবং ছত্রাক রোগের আক্রামন কম থাকে। কারণ আগে ভাগে আসা মুকুল ঘন কুয়াশা ও অনাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ইতোমধ্যেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী ৫৪টি আম বাগানে পরিচর্যা বাড়ানো হয়েছে। বিভাগী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের উদ্যান তত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড, সন্তোষ কুমার বসু বলেন, আটি ও ফললি আম গাছের মুকুলগুলো ঘন কুয়াশা, অনাবৃষ্টি এবং ছত্রাকের কারণে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যদি ঘন কুয়াশা ও অনাবৃষ্টির কবলে না পড়ে তাহলে এসব মুকুলে দশ বছরের তুলনায় এ বছর আম ভাল হবে।