খুলনার পাইকগাছায় কপিলমুনি কপোতাক্ষ নদসহ সরকারী জায়গা দখলে মহোৎসব চলছে। উপজেলার বাণিজ্যক উপশহর কপিলমুনিতে কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না সরকারি সম্পত্তি দখলবাজদের আগ্রাসন। একে একে দখল হয়ে যাচ্ছে সরকারী কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। প্রশাসন নিরব। সরকারি মূল্যবান সম্পত্তি দখলে ধারাবাহিকতায় এবার কপিলমুনি মাছ বাজারসংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের চর ভরাটি জায়গা সময়ের ব্যবধানে ফের দখল চলছে। যা ইতঃপূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত করা হয়। সেসব মুল্যবান জায়গায় ইতোমধ্যে অপরিকল্পিতভাবে বাঁশের খুঁটি ও ঘেরা লাগিয়ে দখলে নিয়েছে একাধিক ব্যক্তি। এমনকি দখলবাজরা পাকা ইমারতও নির্মাণ করেছে। ফলে দখলকৃত জায়গা থেকে অবৈধ দখলবাজদের অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। সরেজমিন দেখা যায়, কপিলমুনি মাছ বাজারসংলগ্ন কপোতাক্ষ তীরবর্তী সরকারি জায়গা কোনো প্রকার ডিসিআর ছাড়াই মনগড়াভাবে ও একপ্রকার প্রভাব খাটিয়ে দখল করেছে কতিপয় ব্যাক্তি। সেখানে বাঁশের খুঁটি বসিয়ে এবং রেলিং দিয়ে আলাদা আলাদাভাবে দখল দিয়ে রেখেছে। আজও ভূমিদস্যু কবল থেকে দখলমুক্ত হয়নি কপিলমুনি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ জায়গাসহ সাংবাদিকের জায়গা। সর্বশেষ দখল বিষয় বাজারের কয়েকজন ব্যাবসায়ী জানান, প্রথমে সাবেক ইউপি সদস্যর একটি কাটা ছিল। তিনি দীর্ঘদিন ব্যাবসা করেন। পরবর্তীতে তাকে অনুসরণ করেই তারই পার্শ্বে একে একে আরো ৫ ব্যক্তি একই ভাবে দখল করেছেন মূল্যবান এসব জায়গা। যা উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। হাট-বাজার ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়ার্দার বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। এখন অপেক্ষা করছি তিনি কী করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, জায়গাটা পানি উন্নয়ন বোর্ডে অধীনে। পাউবো চাইলে আমরা পদক্ষেপ নেব।