খুলনা জেলার দিঘলিয়ায় নতুন বছরের একমাস পার হলেও মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পৌঁছেনি নতুন বছরের সিংহভাগ পাঠ্যবই।
সূত্র থেকে জানা যায়, বছরের ১ম দিনে সারা দেশের ন্যায় দিঘলিয়া উপজেলার মাধমিক বিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-ছাত্ররা বিদ্যালয়ের সেসন ফিস পরিশোধ করে উৎসবমুখর পরিবেশে শতভাগ বই নিয়ে বাড়ি ফেরে। কিন্তু এ বছর তার ব্যাতিক্রম ঘটেছে। ২০২২ সালের জানুয়ারী মাস পার হলেও স্কুলগুলোতে মূূল বিষয়গুলোসহ সিংহভাগ পাঠ্যবই পৌঁছে নি। ফলে মাধমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বছরের বিনামূল্যের সিংহভাগ পাঠ্যবই বিতরণ করা সম্ভব হয়নি শিক্ষকদের। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকেই দায়ি করছেন বিজ্ঞমহল।
এ ব্যাপারে কথা হয় সুগন্ধী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তরুন সমাজ সেবক মোল্লা মাকসুদুল ইসলামের সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, বছরের ১ম দিন ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বছরের বিনামূল্যের পাঠ্যবই পাবে এটাই সত্য। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যয়ও তাই। কিন্তু আমাদের দেশের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়ই পাঠ্যপুস্তক সরবরাহে বিলম্ব। বাংলাদেশের বিভিন্ন পাঠ্যবই পরিবর্তন হলেও কোটি কোটি গাইড বই মুদ্রণ ও বাধাঁই করে বাজার জাত করতে সময় লাগেনা, অথচ সরকারিভাবে ঠিকা দেওয়া মুদ্রণকাজ ও বাধাঁই কাজে কেন বিলম্ব হবে? এ ব্যাপারে কথা হয় দিঘলিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার (মাধ্যমিক)মোঃ মাহফুজুর রহমান এর সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বাধাঁই কাজে বিলম্ব হওয়ায় সরবরাহে বিলম্ব হয়েছে। দিঘলিয়া উপজেলার বিদ্যালয়গুলোর কমিটির সভাপতি, অভিভাবকসহ বিজ্ঞমহল বলছে বিদ্যালয়গুলোতে বই পৌঁছাতে দেরি হলো এগুলো ক্ষতিয়ে দেখা উচিৎ।