সারিয়াকান্দির কামালপুর ইউনিয়নের নির্বাচনী প্রচারনা জমজমাট হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি জল্পনা-কল্পনা চলছে, কে হচ্ছেন আগামী দিনের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আগামী ৩১ জানুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে এই ইউনিয়নে চেয়াম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। তাঁরা হলেন, আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকা প্রতিকে রাশেদুজ্জামান রাসেল, বর্তমান চেয়ারম্যান হেদায়দুল ইসলাম (ঘোড়া), খাবিরুজ্জামান (মোটর সাইকেল), মোকলেছুর রহমান (চশমা), নজরুল ইসলাম নয়ন (আনারস)। তবে সবচেয়ে বেশী শোনা যাচ্ছে বর্তমান চেয়ারম্যান ও মো: হেদায়দুল ইসলাম ও আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী রাশেদুজ্জামান রাসেলের নাম। ভোটাররা বলছেন, উপজেলার ১২ ইউনিয়নের মধ্যে এই ইউনিয়নটি সারিয়াকান্দির প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় অবস্থিত। ইউনিয়নে ১৮টি গ্রাম আছে এর মধ্যে ৪টি গ্রাম যমুনা নদীর ভাংগনে বিলিন হয়েছে। এরপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে বিভক্ত হওয়ায় চর ও বিল এলাকা হিসেবে পরিচিত ইউনিয়নটি। এই ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজারের মতো। গত ৫ বছর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী ও ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হেদায়দুল ইসলাম। চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে অত্যান্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ছোট, বড়, বৃদ্ধ, বণিতা থেকে শুরু করে সব শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক রেখে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এবারো চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন তবে দল তাকে মনোনয়ন দেননি। মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়নের সুতানাড়া গ্রামের যুবলীগ নেতা রাশেদুজ্জামান রাসেল। গ্রামের ভোটার হলেও তার বসবাস বগুড়া শহরে। বগুড়া জেলা যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংসঠনিক সম্পাদক। স্থানীয় রাজনীতিতেও তেমন একটা পরিচিত মুখ নন তিনি। অনেক দিন হলে বগুড়া শহরে বসবাস করার কারনে কামালপুর ইউনিয়নের লোকজনেরা তাকে ভালো করে চেনেন না এবং জানেননা। কাকতালীয়ভাবে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় এলাকায় তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার গুঞ্জন চলছে। দড়িপাড়া গ্রামের মহিদুল ইসলাম ও ফকিরপাড়া গ্রামের শফিক মিয়া বলেন, রাসেল আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে দলবল সহ এলাকায় আসছেন। এছাড়াও তিনি অনেক শক্ত-নরম কথা বলায় মানুষের মনকে খুশি করতে পারেন নি। তাছাড়াও হেদায়দুল ইসলাম ৫ বছর দক্ষতার সহিত পরিষদের কাজ-কর্ম পরিচালনা করায় তিনি সবার কাছে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।