বগুড়ার শেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ভূমিসহ ঘর বরাদ্দ দেওয়ায় উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নে ৪৫টি ঘর নির্মানের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সময়ের মধ্যে সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হতে পারে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মির্জাপুর, ভবানীপুর, গাড়ীদহ ও বিশালপুর ইউনিয়নের প্রকল্প গুলো বেশিরভাগ ঘরের নির্মান কাজ কোথাও ২৫ ভাগ, কোথাও ৩৫ভাগ আবার কোথাও ৫৫ ভাগ ইটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে ব্যস্ততা নির্মান কর্মীদের। এছাড়াও অতিরিক্ত আরো ১’শটি ঘর বরাদ্ধ পাওয়া গেছে তারমধ্যে ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজ ইতি মধ্যেই শুরু হয়েছে।
বিশালপুর ইউনিয়নের সুবিধাভোগীদের অনুভূতি জানতে চাইলে তার জানান“ কবে স্বপ্নের ঘরে উঠবে সেই অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
মুজিববর্ষে “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না” প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম অন্যান্য এলাকার মত বগুড়ার শেরপুরেও। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার শিউলীর তথ্যানুযায়ী মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সারাদেশে অর্ধলক্ষেরও বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেয়া হচ্ছে। গত বছর ২০ জুন এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেরপুর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৮ টি ইউনিয়নে ১৬৩ টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২য় পর্যায়ে ৫ টি ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত ১৭ টি ঘর বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সে সময় প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হইয়েছিলো ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে ৪৫ টি নির্মানাধীন ঘরের প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫শ টাকা।
এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ময়নুল ইসলাম জানান, তৃতীয় পর্যায়ের ৪৫টি ঘর এবং নতুন বরাদ্ধ পাওয়া ১’শটি ঘরের মধ্যে ৩০টি সহ মোট ৭৫টি ঘরের কাজ এগিয়ে চলেছে। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য আমার টিম সর্বদা সচেষ্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষে প্রকৃত গৃহহীনদের মাঝে ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।