যশোরের কেশবপুর উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ৫ জানুয়ারী। এ নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলার পাঁচ নম্বর মঙ্গলকোট ইউনিয়নের পরিবেশ দিন দিন সহিসতার পথে এগুচ্ছে। নৌকা প্রতিকের প্রার্থীসহ ৪৩ জনের নামে থানায় মারপিট দাঙ্গা হাঙ্গামার অভিযোগ করেছেন এ ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ার হোসেনের ছেলে খালিদ হোসেন। হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিন কর্মী জখম হওয়াসহ উৃপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর সামনেও তারা কর্মীদেও উপর মারপিট করে বলে অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল কাদের বিশ্বাসের কর্মীরা রোববার রাতে কন্দর্পপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ককটেল বিষ্ফোরণ করা হয়েছে এবং এ গ্রামের আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের কর্মীদের উপর হামলা চালায়। হামলায় নেলু গাজী ও ছোট খোকন আহত হলে নেলু গাজীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেলু গাজীকে দেখতে যাওয়ার পথে আনারস প্রতীকের কর্মী বড়েঙ্গা গ্রামের ইলিয়াস হোসেন পাপ্পুকে (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা পিটিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় নৌকার প্রার্থী আবদুল কাদের বিশ্বাসসহ ৪২ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৫০ জনের নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ প্রার্থীর নিকটাত্মীয় হওয়ায় তার বাড়িতেও তারা সোমবার সকালে হামলা চালায়। সব মিলিয়ে এ ইউনিযনটির নির্বাচনি পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবদুল কাদের বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোন কর্মী-সমর্থক জড়িত নেই। আনারস প্রতীকের কর্মীরাই তার কর্মী মোক্তার আলীকে মেরে রোববার রাতে ডান পা ডেঙ্গে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।