যশোরের অভয়নগরে রোববার ৪র্থ ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে কয়েকটি সেন্টার দখল সহ গোলাগুলির মধ্যে দিয়ে নিবার্চন সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাইমারি বিদ্যালয়ে নৌকার সমার্থকেরা ভোট কেন্দ্র দখল করতে আসে। এতে আনারস মার্কার সমার্থকেরা বাধা দেয়। দাওয়া পাল্টা দাওয়া শুরু হয়। এ সময় পরিস্থিত নিয়ন্ত্রন আনতে পুলিশ এক রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে ভোট কেন্দ্র বন্দ করে দেয়। এতে ভোটারা ছত্র ভঙ্গ হয়ে পড়ে। পরে আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী এম এম আজিম উদ্দিনসহ তার লোকেদের নৌকার সমার্থকেরা মারপিট করে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী আজিম বলেন, নৌকা মার্কার লোক ও মোরগ মার্কার লোক জন এসে পাইকপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাইমারি স্কুল এসে ভোট কাটতে থাকে আমি ও আমার সমাথর্কেরা বাধা দিলে। তারা আমাদেরকে লাটিশোঠা দিয়ে বেদম মারপিট করতে থাকে। এতে পুলিশ নিরাবতা পালন করে। এবং পুলিশ ও আমাকে মারপির করতে থাকে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সহকারি পোলিং অফিসার বলেন, সেন্টারে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার মামুনুর রশিদ, হাবিল হোসেনকে ওই ঘটনার পর থেকে পাওয়া যাচ্ছেনা। পাওয়া যায়নি। সেখানে ভোট প্রদান কেন্দ্র বন্দ হয়ে যায়। এ ব্যপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ এস পি) জুয়েল বলেন, বেলা ১১ টার পরে এই কেন্দ্রে একটি বিছিন্ন ঘটনা ঘটে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে এক রাউন্ড পাকা গুলি ছোঁড়া হয়। অন্য দিকে শুভনাঢ়া ইউনিয়নের বাশুয়াড়ী সরকারি বিদ্যালয়ে দুপুর ২ টার পর ভোট কেন্দ্র বন্দ দেখা যায়। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, নৌকার সমার্থকেরা ওই সেন্টারে যেয়ে ভোট কাটকে থাকলে। আনারস মার্কা চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীর সমার্থকেরা বাধা দেয়। এতে বাচচু গুরত্ব জখম হন। পরে এ বি এম জাকির হোসেন বাচচু সমার্থকেরা লাটিশোঠা নিয়ে বাশুয়াড়ী সরকারি বিদ্যালয়ে দুপুর ২ টার সময় হামলা চালায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে কয়েক এক রাউন্ড পাকা গুলি ছোড়ে। এবং তারা পালিয়ে যায়। এ বিষয়টি কর্তব্যরত পুলিশ জানায়, এ কেন্দ্র একটি বিছিন্ন ঘটনায় হামলা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে তিন রাউন্ড পাকা গুলি ছোঁড়া হয়। এ ব্যপারে উপজেলা নিবার্চন অফিসার এস এম হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনেছি, কয়েকজনকে পুলিশ আটক করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে।