বগুড়ার নন্দীগ্রামে নির্বাচনী সহিংসতাকে কেন্দ্র করে সতন্ত্র ও আওয়ামী লীগের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। একে অপরের কর্মীকে মারপিটের জের ধরে যে কোন সময় আবারো সহিংস ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। মঙ্গলবার (২১ডিসেম্বর) রাত ১২ টার পর নৌকা মার্কার দুই কর্মীকে মারধরের জের ধরে বুধবার বিএনপির এক কর্মীকে মারধর করা হয়। নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবদুল বারেক অভিযোগ করেন মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার বাড়ির জানালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এ সময় বাড়ির লোকজন টের পেয়ে নুরনবী ও মনির নামের নৌকা মার্কার দুই কর্মীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এর জের ধরে বুধবার সকাল ১০ টার দিকে রনবাঘা বাজারে বিএনপি কর্মী ও চেয়ারম্যান প্রার্থী বারেকের ছোট ভাই আবদুল মান্নানকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মোখলেছার রহমান মিন্টু বলেন নৌকা মার্কার দুই কর্মী নির্বাচনী কাজ শেষে ফেরার পথে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী নৌকার দুই কর্মীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারপিট করে। পরে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। তবে বিএনপি কর্মী আবদুল মান্নানকে নৌকার কর্মীরা মারপিট করেনি। সাধারন জনগন তাদেরকে মারপিট করেছে। নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, পুলিশ কাউকে আটক করেনি। দুইজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারপিটের ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি।