খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পুনরায় দাফন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খান জাহান আলী থানার (ওসি) প্রবির কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ঢাকা মেডিকেল ফরেনসিক বিভাগে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রামে দাফন সম্পন্ন হয়।
জানা গেছে, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে দাফনের ১৪ দিন পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) উত্তোলন করা হয়। পরে সেটি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তার ময়নাতদন্তে অপারগতা প্রকাশ করায় ৬ ঘণ্টা পরে ড. সেলিম হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খান জাহান আলী থানার (ওসি) প্রবির কুমার জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল ফরেনসিক বিভাগে শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষ হয়। পরে রাত ৮টার দিকে শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি কুমারখালীর বাঁশগ্রামে এসে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক সেলিমের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে মারা যান।
অভিযোগ উঠেছে, সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সেলিমকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। পরদিন ১ ডিসেম্বর বুধবার অধ্যাপক সেলিমকে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়।