বগুড়া পৌরসভার বর্ধিত ৯ টি ওয়ার্ডের অবস্থিত কৃষি জমির খাজনা পৌরসভা ঘোষণার অজুহাত দেখিয়ে কৃষকদের না জানিয়ে তহশীলদারগণ দীর্ঘদিন যাবত তাদের খেয়ালখুশি মত ভুমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এবং ৩০ শে জুন ২০১৫ তারিখে ভূমি উন্নয়ন করের প্রজ্ঞাপনের আদেশ গোপন করে কয়েকগুণ বর্ধিত হারে ভূমিকর আদায় করে আসছে। এসকল অনিয়মের বিরুদ্ধে একাধিকবার যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট যোগাযোগ করে আপত্তি ও অভিযোগ উত্থাপন করা সত্ত্বেও কোন অগ্রগতি হয়নি বরং কৃষকগণ খাজনা প্রদাণে হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। অনেক আন্দোলন, উচ্চ পর্যায়ে দেন দরবার, চিঠি চালাচালির পর সর্বশেষ গত ১১ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বগুড়া বরাবরে তহশীলদারের নিয়ম বহিভূত খাজনা আদায়ের বিষয়ে জানানো হলে কৃষকবান্ধব জেলা প্রশাসক মহোদয় অযৌক্তিক বেআইনি খাজনা আদায় বন্ধ করে বঙ্গবন্ধু ঘোষিত প্রজ্ঞাপনের আলোকে খাজনা গ্রহণের জন্য গত ২১ অক্টোবর তাঁর দপ্তর হতে ১২ টি উপজেলার সহকারি কমিশনার ভূমি মহোদয়ের প্রজ্ঞাপনের নীতিমালা অনুসরণ করে কৃষি জমির খাজনা আদায়ের নির্দেশ দেন। এর মাধ্যমে বগুড়া পৌরসভাসহ ১২ টি উপজেলার কৃষকদের বর্ধিত হারে ভূমি কর প্রদানের অবসান ঘটে। খাজনা মওকুফ আন্দোলনের নেতা কৃষক উন্নয়ন অধিকার বাস্তবায়ন সমিতির আহ্বায়ক এবং বগুড়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আলহাজ¦ আবু ওবায়দুল হাসান ববির সার্বিক সহযোগিতায় আজ ১৪ ডিসেম্বর সকাল এগারোটায় সুলতানগঞ্জ ইউনিয়ন তহশীল অফিসে উপস্থিত হয়ে খাজনা মওকুফ সুবিধার আওতায় খাজনা পরিশোধের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ মোঃ আবদুল মজিদ, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আল-মামুন, শফিকুল ইসলাম শফিক, মতিউর রহমান, মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া রাজু, ইয়াসির আলী, আজিজুল ইসলাম মিলন, পাপ্পু, খয়ের আলী সহ ওই এলাকার কৃষক বৃন্দ। সমিতির আহাবায়ক জনাব আলহাজ¦ আবু ওবায়দুল হাসান ববির নেতৃত্বে কৃষকদের ন্যাযহারে খাজনা প্রদাণের অন্দোলন চলমান রয়েছে। সকলের সহযোগিতায় আগামী দিনে এ আন্দোলন আরও গতিশীল হবে বলে আগত কৃষকরা জানান।