ছারছীনা দরবার শরীফের গদ্দীনশীল পীর আলহাজ হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ বলেন, “মুমিন জীবনে আকিদাই ঈমান। দরবারে এসেছেন পীরকে পাওয়ার জন্য নয়, আল্লাহকে পাওয়ার জন্য। তাই আল্লাহর হুকুম আহকাম বিধি বিধান সবই পালন করতে হবে। আল্লাহর একত্ববাদ, তার জাত ও সিফাতের চিরন্তনতা বিশ^াস করতে হবে। আক্কীদা ও ইসলাম বিশ^াসে মৌলিক বিষয়ের বিরোধিতাকারীরা এবং যারা হায়াতুন নবীতে বিশ^াস করে না, নবীজীকে গালি দেয়, কোর-আন শরীফকে অপমানোনা করে এবং তরীকা তাসাউফকে মানে না তারা জাহান্নামী হবে। তাই আমাদেরকে আমলের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক উন্নতি লাভ করতে হলে অবশ্যই আকিদা ও এতেকাদ সঠিক করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ছারছীনা দরবার শরীফ আমলের দরবার, ইসলাম প্রচারের জন্য বড় পীর দাদা হুজুর হযরত মরহুম নেছারুদ্দীন (রহ)‘ এই দরবার নবীজীর সুন্নতের তরীকায় প্রতিষ্ঠিত করেন”। পিরোজপুরের নেছারাবাদে ছারছীনার মাহফিল ময়দানে লাখো উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উদ্দেশ্যে ছারছীনার আমিরে হিযবুল্লাহ পীর মোহেব্বুল্লাহ আখেরী মোনাজাতের পূর্বে ওয়াজ নসীহতে এসব কথা বলেন।
তিন দিনের এ মাহফিলে দেশ বরণ্য ওলামা, খোলাফাবৃন্দ আলোচনা শেষদিনে আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতে দেশের দূর-দূনান্ত থেকে সড়ক ও নৌ-যানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইলকে মাইল মানুষের ঢল নেমেছিল। ওয়াজ নসীহত ও আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতে সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত মাহফিল ময়দানে মুলমানদের আগমনে যেন তিল ধারনের জায়গা ছিলনা। আখেরী মোনাজাতে লাখো মুসল্লীদের এক ধর্মীয় মিলন মেলায় আল্লাহ-আল্লাহ ধ্বনীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছিল। এ সময় মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাঈদুর রহমান, এ ্এসপি সার্কেল মোঃ রিয়াজ হোসেন পিপিএম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারেফ হোসেনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশিষ্ট আলেম, রাজনৈতিক ও প্রশাসন বৃন্দ অংশ নেন।