খুলনার পাইকগাছায় উত্তর কুমখালী কালিমন্দির সংলগ্ন শ্বশানের সরকারী জায়গা দখল করে নেয়ায় থানায় অভিযোগ হয়েছে। উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের কুখালী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মৃত্য ব্যক্তিদের এ শ্বশানে দেড়শ বছর ধরে দাহ করে আসছে। উপজেলার ঘোষ নদীর চরভারাট সরকারী জায়গা। যে জায়গা থেকে মাটি কেটে ও শ্বশানর চিহ্ন নষ্ট করে দখল করে নিয়েছে স্থানীয় রমেশ বৈদ্য। দখলের কথা স্বীকার করে রমেশ বৈদ্য জানান, মানুষ পুড়ানোর সময় ছাই ভস্ব তার বাড়ীতে উড়ে পড়ে। তাতে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। স্থানীয় ৭০ বছরের বৃদ্ধ রমেশ চন্দ্র মন্ডল এফএনএসকে বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষদের আমল থেকে এ শ্বশানে মৃত দেহ দাহ করা হচ্ছে। যা রমেশ বৈদ্য সবকিছুই নিচিহ্ন করে জায়গাটি জবর দখল করে নিয়েছে। স্থানীয় দেবব্রত বাছাড় শ্বশানের জায়গা দখল করায় পাইকগাছা থানায় সোমবার রমেশের বিরুদ্ধে জিডি করেছে। অনিলকৃষ্ণ মন্ডল ছেলে ভবতোষ মন্ডল এফএনএসকে জানান, এ রমেশ বৈদ পৈতিক বাড়ি দাকোপ থানা কালাবগী গ্রামে। পাইকগাছার কুমখালী গ্রামের ঘরজামাই। দাকোপ, কয়রা পাইকগাছা থানায় একাধিক অস্ত্র মামলার আসামী। আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির হুমকিসহ হত্যার হুমকী দিয়ে আসছে। ইতিপূবৈ সে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের হাতে হরিণের মাংস ধরা পড়ে দীর্ঘদিন জেলহাযত খাটে। থানা ওসি জিয়াউর রহমান জিডির কথা স্বীকার করে বলেন, এখানে যাতে আইনশৃঙ্খলা বিঘিœত না হয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুস সালাম কেরু বলেন, অনেক পুরানো আমলের শ্বশান এটা। কেউ জবর দখল বা বিনষ্ট করুক এ সুযোগ কেউ পাবেনা। এটা যাতে আধুনিকায় হয় সে ব্যাপারে পরিষদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে।