খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত জননন্দিত চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ( জিয়া গাজী) একটি হত্যা মামলায় খুলনার আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে খুলনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।
গত ২৫ জুলাই স্থানীয় একটি সংঘর্ষের জের ধরে খুন হয় পথের বাজার ব্যবসায়ী ও উত্তর চন্দনীমহল বোগদিয়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইয়াসিন শেখ। ইয়াসিন শেখ নিহত হওয়ার পর গত ২৬ জুলাই দিঘলিয়া থানা পুলিশ সানী নামক একজনকে গ্রেফতার করে। ওই সানী নিজেকে হত্যার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে হত্যাকা-ের ব্যাপারে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করে। গত ২৭ জুলাই থানায় হাজির হয়ে চেয়ারম্যান জিয়া গাজীকে ১ নং আসামীসহ ১৫ জনকে ও অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা হাফিজা বেগম। মামলা নং ০৯।
দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত জনপ্রিয় ও জননন্দিত চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ( জিয়া গাজী) গত ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২১ উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন গ্রহন করেন। জামিনে থাকাকালীন সময়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পাঁচ হাজার দুইশত ভোটের ব্যাবধানে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয় অর্জন করেন।
২ নভেম্বর সকালে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন চাইলে বিজ্ঞ আদালত উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। দিঘলিয়ার চাঞ্চল্যকর ইয়াসিন শেখ হত্যা মামলায় গত ২৮ জুলাই খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মনিরুজ্জামান এর আদালতে চন্দনীমহল এলাকার বাবুল খাঁ এর ছেলে সানী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দিয়েছে। সানির স্বীকারোক্তি মোতাবেক গত ১২ আগস্ট নিহত ইয়াসিন শেখের আপন মামাতো ভাই ইমরান গাজী (২৫) ও ইখলাস গাজী (২৭) কে দিঘলিয়া থানা পুলিশ আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন। জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া ইখলাস গাজী ও ইমরান গাজী পর্বে হামলার শিকার বর্তমানে শয্যাসায়ী মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকার সংগ্রামী মোঃ শাহজাহান গাজীর পুত্র।
সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান ( জিয়া গাজী) আটক হওয়ায় এই হত্যা মামলায় চারজন কারাগারে আছে বলে জানা গেছে।