বাঙালি সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদরে সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎ শিল্পীরা। মন্দির মন্ডপে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। মন্ডপে মন্ডপে চলছে রং তুলি আর সাজসজ্জার কাজ। খুলনার পাইকগাছায় ১৪৯ মন্দির মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিমায় মাটির প্রলেপ শেষে এখন চলছে রং তুলি আর সাজসজ্জার কাজ। দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদরে মধ্যে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। তাদের বিশ^াস মতে দেবীদুর্গা দুষ্টু দমনে স্বর্গলোক থেকে মত্যলোকে আসেন। এরই ধারাবাহীকতায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর শারদীয় দুর্গাপূজা করেন। উপজেলায় এবার একটি পৌরসভাসহ ১০ ইউনিয়নে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ১৪৯টি মন্দিরে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে। এক সপ্তাহ পরেই দুর্গোৎসব। পৌরসভায় ৬, হরিঢালী ১৯, কপিলমুনি ১৮, লতা ১০, দেলুটি ১৩, সোলাদানা ১৪, লস্কর ১৭, গদাইপুর ৫, রাড়ুলী ২১, চাঁদখালী ১৩ ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ১৩টি পূজা মন্দির মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১১অক্টোবর (সোমবার) ষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। উপজেলায় প্রতিটি মন্ডপে দুর্গা প্রতিমা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাশফুল ফোটা শিউলী শরতেই এই শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। আর এই পূজা উৎসবকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে দুর্গা মন্দিরগুলোতে চলছে ব্যাপক সাজসজ্জা। দেবীকে স্বাগত জানাতে সর্বত্র আনন্দঘণ পরিবেশ বিরাজ করছে। আর প্রহর গুণছেন পূজার মহেন্দ্রক্ষণের। পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন দিকনির্দশনা। পূজার সময় যতই ঘনিয়ে আসছে প্রতিমা তৈরি অন্যান্য কাজও এগিয়ে চলছে দ্রুতগতিতে। উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মন্ডপে প্রতিমার মাটির কাজ শেষে রং তুাল আর সাজসজ্জার কাজ চলছে। আবার কোথাও শিল্পীর সুনিপুণ হাতরে ছোঁয়ায় রং তুলির আঁচড় দিচ্ছেন। ১১ অক্টোবর শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যো দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মালবম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গোৎসব। প্রতি বছরে ন্যায় এ বছরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলায় ১৪৯ মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।