দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বাজার সংলগ্ন ভাজার দোকান এলাকার গোলাম মোস্তাফার। ১৯৯৭সালের দিকে সেনহাটি বাজার সংলগ্ন এলাকার প্রসিদ্ধ মরমী কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদারের স্মৃতি বিজড়িত কবি কৃষ্ণ চন্দ্র ইনস্টিটিউট সংলগ্ন রাস্তার পাশে শুরু করেন গোলাম মোস্তফা ভাজার দোকান। শুরুতে খোলা জায়গায় মোস্ত মিয়া শুরু করেন ভাজা তৈরি ও কেনাবেচা। এলাকার সর্বস্তরের ছাত্র জনতা বিকাল হলেই ছুটে আসে মোস্ত মিয়ার ভাজা কিনতে। দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ে মোস্ত মিয়ার ভাজার সুনাম। দিঘলিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে মোস্ত ভাজা নামে।
এব্যাপারে কথা হয় এ প্রসিদ্ধ ভাজার দোকান মালিক মোঃ গোলাম মোস্তফার সাথে এ প্রতিবেদকের। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, গত ২৪ বছর ধরে আমি এখানে এই ভাজা তৈরি ও কেনাবেচা চালিয়ে আসছি। আমার এ ভাজা মানুষের মাঝে এত জনপ্রিয়তা লাভ করবে তা আগে কোন দিন চিন্তাও করিনি। বর্তমানে টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে দোকানের মত করেছি। দোকানে কি কি ভাজা তৈরি হয় জানতে চাইলে তিনি জানান, ছোলা, পিয়াজু, চটপটি, ডিম, আলুর চপ, চিড়া এখানে ভাজা হয়। বিকাল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তাঁর দোকানে কেনাবেচা চলে।
সেনহাটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির একজন ছাত্রী নুসরাত জাহান নিশি জানান, মোস্ত ভাজা আমার পরিবারের সবার নিকট পছন্দের। তাই আমি কচিং থেকে ফেরার পথে বিকালবেলা মোস্ত ভাজা কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরি। দোকানে বসা অবস্থায় এ প্রতিবেদকের কথা হয় মোঃ ইব্রাহিম নামক এক ক্রেতার সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, দোকানের শুরু থেকে আমরা আমাদের সময় কাটাতে ও মোস্ত ভাজা খেতে এখানে আসি।
কথা হয় এ প্রতিবেদকের এলাকার একজন ব্যাংকার ও তরুন সমাজ সেবক মোল্লা মাকসুদুল ইসলামের সাথে। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, মোস্ত ভাজা আমাদের এলাকায় প্রসিদ্ধ। তাই আমরা বিনদনের ফাঁকে এখানে এসে বন্ধুদের নিয়ে মোস্ত ভাজা খাই। মোস্ত ভাজা আমাদের এলাকায় ছোট-বড় সবার কাছেই খুবই জনপ্রিয়।