স্বাস্থ্য বিভাগের ভূয়া এডিশনাল সেক্রেটারী সেজে বিকাশে চাঁদা আদায়ের ঘটনায় আর এক আসামিকে আটক করছে পুলিশ। গত ৯আগষ্ট প্রতারক চক্রের এক সদস্যকে রংপুর জেলা থেকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। তার স্বীকারোক্তিতে জামালপুর জেলার দেওনগজ্ঞ থানার ডালবাড়ী শশুর বাড়ী থেকে সাজেদুর রহমান সাজিদ (৩৮) কে ২২সেপ্টম্বর আটক করে। সে রংপুর জেলার পিরগজ্ঞ থানার ছোট মির্জাপুরের মনোয়ার হোসেনের ছেল। উল্লেখ্য গত ১৭ জুন খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী কনসালটেন্ট চিকিৎসক সুজন কুমার সরকারের নিকট স্বাস্থ্য বিভাগের এডিশনাল সেক্রেটারী সেজে ফোন দেন। প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মাধ্যমে কৌশলে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং তার চাকরীর ক্ষতি হবে এই মর্মে হুমকি প্রদান করে তার নিকট ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। তার কথায় ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে দুই ধাপে বিকাশ নম্বরে ৩৩ হাজার টাকা প্রদান করে। পরে সে প্রতারক বুঝতে পেরে থানায় সাধারণ ডায়েরী করে। তদন্তকরী কর্মকর্তা তদন্তের নাম ঠিকানা প্রমানিত হলে গত ৩ আগস্ট সুজন কুমার সরকার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক তাকবীর হোসাইন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযানে লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ থানার কাকিলা নামক স্থান থেকে আ.জ.ম সামসুদ্দিনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তিতে পরে সাজেদুর রহমান সাজিদকে আটক করা হয়। পাইকগাছা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ এজাজ শফী জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি সাজেদুর রহমানকে ২ দিন রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার দুপুরে আদালতে দিয়েছি। সে ১৬৪ ধারা জবানবন্ধিতে রংপুর জেলার সারমীন টেলিকম থেকে ৩৩ হাজার টাকা তোলার কথা স্বীকার করেছে।