খুলনার পাইকগাছায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিভিন্ন প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। তার মধ্যে ১৯ জন প্রার্থীর জামানত হারাচ্ছেন। তারা হলেন ২নং কপিলমুনি ইউনিয়নের ৬ প্রার্থীর মধ্যে চারজন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ২০হাজার ৯৩টি। তার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আছাদুল বিশ্বাস (ঘোড়া ২৫৩), ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আবদুর রব (হাতপাখা ১৭৮২), জাকের পার্টির প্রার্থী শেখ ইফতেখার আল মামুন সুমন (গোলাপ ফুল ৩০২) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ নাজমুল হোসেন (মোটরসাইকেল ৫০৮)। ৩নং লতা ইউনিয়নের ৩ প্রার্থীর মধ্যে একজনের জামানত বাতিল হচ্ছে। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ৭হাজার ১শ ৮টি। মো. অলি সরদার (হাতপাখা ৪২৪) ভোট। ৪নং দেলুটি ইউনিয়নের ৩ প্রার্থীর মধ্যে একজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১০হাজার ১শ ৭০টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোলটন মন্ডল (ঘোড়া ৭৩৪) ভোট। ৫নং সোলাদানা ইউনিয়নে ৪ প্রার্থীর মধ্যে দুইজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১৩হাজার ৬শ ৬টি। ইয়াসির আরাফাত (গোলাপ ফুল ৬২) ও নূরুল ইসলাম গাজী (হাতপাখা ৯১) ভোট। ৬নং লস্কর ইউনিয়নের চার প্রার্থীর মধ্যে একজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১২হাজার ৩শ ১১টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ননী গোপাল মন্ডল (ঘোড়া ৪৫)। ৭নং গদাইপুর ইউনিয়নের ৫ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১৩হাজার ২শ ৮৫টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আবদুস সালাম (আনারস ৪৫), স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ জাকির হোসেন (ঘোড়া ১৪১০) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সোহরাওয়ার্দ্দী (মোটরসাইকেল ১০৬) ভোট। ৮নং রাড়ুলী ইউনিয়নের ৩প্রার্থীর মধ্যে একজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১৮হাজার ১শ ২২টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মজিদ গোলদার (আনারস ৩৫৭) ভোট। ৯নং চাঁদখালী ইউনিয়নের ৬ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ২৪হাজার ২শ ৭৮টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা গাউছল হক (মোটরসাইকেল ৩৩২), স্বতন্ত্র প্রার্থী আহসান উল্লাহ (আনারস ৭৩৪) ও ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম গাইন (হাতপাখা ৩৭১)টি। ১০নং গড়ইখালী ইউনিয়নের ৬ প্রার্থীর মধ্যে তিনজন জামানত হারাচ্ছেন। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১৪হাজার ৪শ ২৮টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী এবিএম এনামুল হক (মোটরসাইকেল ২৩৭), স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী মোস্তফা কামাল (ঘোড়া ১২) ও ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী ফারুক হোসেন মোড়ল (হাতপাখা ১০৯) ভোট। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, যারা কমভোট পেয়ে জামানাত হরাচ্ছেন তাদের তালিকা অতিদ্রুত জেলা নির্বাচন অফিসে পাঠনো হবে।