খুলনার পাইকগাছায় ৯টি ইউপির মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন ঝুঁঁকিপূর্ণ প্রার্থীরা বলছেন। ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন। দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই উদ্বেগ-উৎকন্ঠা ও নির্বাচনি পরিবেশ সংঘাতময় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনার সহ থানায় একের পর এক অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন। যার মধ্যে সোলাদানা, গদাইপুর ও রাড়-লী ইউনিয়ন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য ইউনিয়নেও সংঘাত হুমকি ধামকি অব্যাহত অভিযোগে প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। প্রতিপক্ষ আচারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন একাধিক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সোলাদানা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম এনামুল হক, গদাইপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী জুনায়েদুর রহমানের একই অভিযোগ। রাড়-লী ইউপি প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আ. মজিদ গোলদার সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ৩ জনই বর্তমান চেয়ারম্যান। এ ছাড়া চাঁদখালী ইউনিয়নে বাঁশের চটা ও কাপড় দিয়ে তৈরি নৌকা প্রতীকে আগুন, চশমা প্রতীকের পোস্টার ছেঁড়া, গড়ইখালীতে আনারস প্রতীকের কর্মীদের মারধর, দোকান ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ প্রার্থীদের অভিমত ভোট কেন্দ্রে অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করার। সহকারী পুলিশ সুপার ডি-সার্কেল সাইফুল ইসলাম বলেন, কেউ কোনো প্রকার ভোট নিয়ে অপচেষ্টা করার সুযোগ নিতে পারবে না। সবাইকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট প্রদানের কথা বলেন। তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।