খুলনার পাইকগাছায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে বিশ্বকর্মা পূর্জা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মন্দির, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা কেন্দ্র, পারিবারিক মন্দির ও বাড়ীতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার নতুন বাজার মন্দিরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পূজার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি উজ্জ্বল কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক পলাশ ঘোষ, চিন্ময় মন্ডল, নিরঞ্জন বিশ্বাস, দিনেশ বাছাড়, পবিত্র বিশ্বাস, গোবিন্দ বিশ্বাস, তরুন চৌধুরী ও গোবিন্দ পাল প্রমুখ। বিশ্বকর্মা পূজা সনাতোন হিন্দুদের একটি ধর্মীয় উৎসব। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার আশিষ কামনায় এ পূজা করেন। বিশ্বকর্মা চতুর্ভুজ ও গজারূঢ়। তাঁর আকৃতি অনেকটা কার্তিকের মতো। রামায়ণে বর্ণিত অপূর্ব শোভা ও সম্পদবিশিষ্ট লঙ্কা নগরীর নির্মাতা বিশ্বকর্মা বলে কথিত। দেবশিল্পিরূপে তিনি দেবপুরী, দেবাস্ত্র ইত্যাদিরও নির্মাতা। জনশ্রুতি আছে ভারতের পুরীর প্রসিদ্ধ জগন্নাথমূর্তিও বিশ্বকর্মা নির্মাণ করেন। ভাদ্রমাসের সংক্রান্তিতে হিন্দু সম্প্্রদায় মানুষ কলকারখানায় বেশ আড়ম্বরের সঙ্গে বিশ্বকর্মার পূজা করেন। হিন্দু স্থাপত্য দেবতা বিশ্বকর্মার সন্তুষ্টি লাভের আশায় এই পূজা করা হয়। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী কন্যা সংক্রান্তির দিনে বিশ্বকর্মার জন্ম হয়েছিল। শাস্ত্র মতে, বিশ্বকর্মা পূজার ফলে ব্যবসা বৃদ্ধি হয় ধন-ধান্য ও সুখ-সমৃদ্ধির জন্য বিশ্বকর্মার পূজায় শুভ ও আবশ্যক।