নাম তাঁর নূর-উন-নবী মন্ডল দুলাল। বয়স ৪৬ বছর। এলাকায় পরিচিত দুলাল মাস্টার হিসেবেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ পাস। তিনি ৩০ বছর এলাকার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ছাত্রজীবন থেকেই মুজিব আদর্শ লালন করায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তাঁর ইচ্ছে জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তাই শিক্ষকতা থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে সক্রিয় হন রাজনীতিতে।
সব শেষে স্থানীয় ময়দানদীঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে থাকা অবস্থায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর চাকুরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন নূর -উন-নবী। আসছে খাঁনমরিচ ইউপি নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মাঠে রয়েছেন।
তাঁর বাড়ি পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদীঘি গ্রামে। ওই এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মরহুম আবদুল কাদের মাষ্টারের সন্তান তিনি। তাঁর রয়েছে স্ত্রী, চার ছেলে ও দুই মেয়ে।
জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে তিনি খাঁনমরিচ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হিসাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। যুবলীগের পদে থাকলেও খাঁনমরিচ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে তিনি অন্তরে লালন করেন। এলাকায় রয়েছে তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা। রাজনৈতিক মামলায় জেল খাটতেও হয়েছে তাঁকে। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থেকেএলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছেন তিনি।
আসছে খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন তিনি। ইতোমধ্যে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। তিনি ২০১১ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকা অবস্থায় খাঁনমরিচ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সে নির্বাচনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।
নূর-উন-নবী মন্ডল দুলাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতেই আমি জনপ্রতিনিধি হতে চাই। আসছে ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায়,সরকারি চাকুরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় রয়েছি।’