খুলনার পাইকগাছায় পূর্বশত্রুতার জেরে দু'পক্ষের সংঘর্ষে নারী সহ উভয়পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার চাঁদখালী ইউপির কালুয়া গ্রামে দু'দফা সংঘর্ষে এ মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু'পক্ষ পরস্পরকে দোষারোপ করেছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। আহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানান, কালুয়া গ্রামের নান্টু ফকির পরিবার ও উথান মোড়ল পরিবারের মধ্যে বেশকিছু দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। উর্থান মোড়ল জানান, আমার স্ত্রী ছালমা খাতুন (৪০) মানসিক রোগি। সে বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে প্রতিবেশী নান্টু ফকিরদের উঠানের উপর দিযে অন্য প্রতিবেশীর ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি আনতে যায়। পানি নিয়ে আসার পথে তুচ্ছ ঘটনায় ছালমা ও নান্টুর পরিবারের নারীরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। উথান অভিযোগ করেন আমার স্ত্রী ছালমা ভুল বকে এর পরেও প্রতিপক্ষরা তার গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ী থেকে বের করে দেন। এ ঘটনা জানাজানির পর সকাল ১০ টার দিকে উথান মোড়ল ও তার ভাইরা প্রতিবাদ স্বরূপ নান্টুর পরিবারের কাছে ছালমাকে মারপিটে কারন জানতে চাইলে আবারো দু'পক্ষ তর্কে জড়িয়ে পড়েন। উত্তেজনার এক পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর মোড়ল,উথান মোড়ল, তার স্ত্রী ছালমা, গোলাম রব্বানী ও প্রতিপক্ষের নান্টু ফকির ও তার স্ত্রী মুন্নি ও ইব্রাহিম ফকির আহত হন। এদিকে নান্টু ফকির এ ঘটনার জন্য জাহাঙ্গীর মোড়লদের দায়ী করেছেন। আহতদের মধ্যে কারোর মাথা ফাঁটার ঘটনারসহ চোয়াল বুক-পিটে জখম হয়েছেন। এ ঘটনায় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।