খুলনার পাইকগাছায় কালুয়া গড়েরআবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি পাঠদান কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। আর একটি কক্ষে প্রায় ১০০ ছাত্র-ছাত্রী পাঠদান করা হচ্ছে। করোনাকালীন সময় স্কুল প্রতিষ্ঠান সরকারী নির্দেশনায় বন্ধ থাকে। গত ১২সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে স্কুল খোলার নির্দেশ হয়। কিন্তু উপজেলার কালুয়া গড়েরআবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরেজমিনে দেখাগেছে, চারটি কক্ষের মধ্যে একটি অফিস কক্ষ, বাকি তিনটি রুমের দুটি কক্ষ ভাড়া দেয়া হয়েছে। একটি কক্ষ চলছে পাঠদান। এবিষয় (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম মাসুদুল হক বলেন, আমার স্কুলের সভাপতি সলেমান সানা গজালিয়া থেকে চৌমুহনী রাস্তার কাজ করতে আসা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের থাকার স্থান না থাকার কারণে স্কুলে আশ্রয় দিয়েছেন। সভাপতি সলেমান সানা জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাস ঢালী ও এলাকাবাসীর চাপে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করতে দিয়েছি। কিন্তু ভাড়ার কথা আমার জানা নেই। প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান সানা জানিয়েছেন, করোনাকালীন সময় প্রতিষ্ঠানটি খুলে দুরত্ব বজায় রেখে কোমলমতি শিশুদের পাটদান করার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক স্কুলের দুটি কক্ষ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেয়ায় একটি কক্ষে প্রায় ১শ ছাত্র-ছাত্রী গায়ে গাঘেষে ক্লাস করায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা করছি। উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ঝঙ্কার ঢালী বলেন, আমি এক সপ্তাহ আগে স্কুল প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়েছিলাম। তখন প্রধান শিক্ষককে ১২ সেপ্টেম্বরের আগে স্কুল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ উপযোগী করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলাম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেয়া একতিয়ার প্রধান শিক্ষকের নেই। আমি বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার জন্য বলেছি। বিষয়টি সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।