খুলনার পাইকগাছায় ২০ সেপ্টেম্বর ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে দু’চেয়ারম্যান প্রার্থী একই স্থানে নির্বাচনীসভা আহবান করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সভার কর্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় দু'পক্ষের ডাকা নির্বাচনীসভা বন্ধ করার কথা বলেছেন। থানা পুলিশ জানিয়েছেন, ইউপি নির্বাচনের প্রচারনার অংশ হিসেবে রোববার বিকালে রাড়-লীর বোরহানপুর ফুটবল মাঠে নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ ও সদ্য আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা আ. মজিদ গোলদার বোরহানপুর ফুটবল মাঠে পৃথক-পৃথক ভাবে সভা আহবান করেন। এ ঘটনায় দু'পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দুটি পৃথক সভা বন্ধের কথা বলেছেন থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) স্বপন কুমার রায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, দু'পক্ষ একই স্থানে ও একই সময়ে পৃথক সভা আহবান করায় তা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো পক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তিনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন। এ দিকে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ বিঘিœত করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আ.লীগের বহিস্কৃত বিদ্রোহী (আনারশ) প্রতিকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. মজিদ গোলদার নির্বাচনী মাঠ গরম করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন মারপিট ও হুমকির কথা বলে মজিদ গোলদার রাড়-লীতে ক'জন সাংবাদিক ডেকে নিয়ে প্রেস ব্রিফিং এর নামে মিথ্যা অভিযোগ তুলে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য শনিবার বিকেলে শ্রীকন্ঠপুরের মাঝের পাড়ায় (আনারশ) প্রতিকের সমর্থকদের শোডাউনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। এ সময় নৌকাপ্রতিকের সমর্থকদের দ্বারা হুমকি ও মারধরের অভিযোগ এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউপি চেয়ারম্যান আ. মজিদ গোলাদার থানায় অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দু'পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন।