বগুড়ার গাবতলীতে এস এস সি পরীক্ষার্থী এক স্কুল ছাত্রীর রহসজনক মৃত্যু হয়েছে। মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে। জানাগেছে, গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের বুরুজ এলাকার প্রবাসী শ্বপন প্রাং এর মেয়ে বুরুজ আদর্শগ্রাম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী, এস এস সি পরীক্ষার্থী মোছাঃ সাদিকা খাতুন (১৫) প্রতিদিনের ন্যায় ৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন সকালে ঘরে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায় তার মা। এ নিয়ে এলাকায় হৈ চৈ পড়ে যায়। স্থানীয়রা থানায় সংবাদ দিলে মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ জামিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনার স্থালে যান। সুরুত হাল তৈরী কালে সন্দেহ হলে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তর জন্য বগুড়া মর্গে প্রেরন করে। এলাকার একাধিক সুত্রজানায়, ওই স্কুল ছাত্রী সাদিকার সাথে বুরুজ গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে কলেজ ছাত্র ফেরদৌস আলমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাও হয়। প্রেমিককের পক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা যৌতুক দাবিকওে, তা ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব নয়। এরপর স্কুল ছাত্রী সাদিকার তার ঘরে রহস্য জনক মৃত্যু হয়। প্রেমিক ফেরদৌস আলম ও তার অভিভাবকগন বাড়িতে না থাকায় তাদের মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি। এব্যপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিদুল ইসলাম টুনু ও সম্পা আকতারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, স্কুল ছাত্রী সাদিকার রহস্য জনক মৃত্যু ও ফেরদৌস আলমের সাথে প্রেমের বিষয়টি তারা শুনেছেন। সাদিকার মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। গাবতলী মডেল থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়া লতিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাদিকা নামের ১৫ বছর বয়সের এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে জানাযাবে সাদিকা আত্মহত্যা করেছে, নাকি তাকে কেউ হত্যা করেছে। এব্যপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।