“বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালন উপলক্ষে শনিবার মণিরামপুর মৎস্য অফিস স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসানের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ মৎস্য চাষ নিয়ে মণিরামপুরের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এ মতবিনিময় সভায়। তিনি এ সময় বলেন, মৎস্য উৎপাদনে সারা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে পৌছুয়েছেন মণিরামপুর। এতে বলা হয় মণিরামপুর মৎস্য চাষীরা বর্তমানে বছরে ৩৮ হাজার ৩৪০ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছেন। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালনে সাতদিনের এ কর্মসূচিতে শনিবার মতবিনিময় সভা ছাড়াও মাইকিং, ব্যানার, ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রচারণা রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, সোমবার উপজেলা মৎস্য অফিসে প্রান্তিক চাষি পর্যায়ে মতবিনিময়, মঙ্গলবার মৎস্য চাষিদের নিয়ে মাছ চাষ বিষয়ে বিশেষ পরামর্শ সভা, বুধবার প্রামাণ্যচিত্র, বৃহস্পতিবার মৎস্য চাষের উপকরণ বিতরণ এবং শেষ দিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্তি ঘোষনা করা হবে।
৪৪৬ বর্গ কিলোমিটারে মণিরামপুর উপজেলায় ৪ হাজার ৮১০টি ঘের, ১০ হাজার ৬৪৩টি পুকুর, ৫টি বাওড়, ৩টি নদী, ১২টি খাল এবং ১৩টি বিল ছাড়াও মৎস্য চাষিরা বর্তমানে মাছ চাষ করছেন বলে মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। উপজেলার ব্যাপক একটা অংশ স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণ হিসেবে অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের এবং পাটা অপসারণের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি মৎস্য অফিসার নান্নু রেজা, মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সম্পাদক মোতাহার হোসেন, মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা লেলিন দত্ত প্রমুখ।