জীবিত আছেন তারপরেও জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানো হয়েছে জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার তিনজনকে। এতে সবধরনের কর্মকা-ে তাদের ব্যাঘাত ঘটনার পাশাপাশি নিতে পারছেন না করোনার প্রতিষেধক টিকা।
দিনেরপর দিন ওই তিন ব্যক্তি উপজেলা নির্বাচন অফিসে ধরনা দিয়েও কোন সমাধান পাচ্ছেন না। তবে নির্বাচন কর্মকর্তার দাবি দ্রুত সমস্যা সমাধান করা হবে। বুধবার সকালে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্যশিহিপাশা গ্রামের মোঃ খালেক হালাদারের পুত্র মোঃ আলী হোসেন (৪০), একই ইউনিয়নের বুধার (কুয়াতিয়ারপাড়) গ্রামের বুদ্ধি সমদ্দারের কন্যা অনিমা সমদ্দার (২৫) ও একই উপজেলার রতœপুর ইউনিয়নের নাঘার গ্রামের যোগেশ হালদারে পুত্র রমনি হালদার (৫০) অভিযোগ করেন, তারা জীবিত থেকেও জাতীয় পরিচয়পত্রে তাদের মৃত দেখানো হয়েছে। ফলে তারা একদিকে যেমন করোনার প্রতিষেধক টিকা গ্রহণ করতে পারছেন না তেমনি পাসপোর্ট, জমি ক্রয় বিক্রয়সহ সরকারি কোন কাজ করাতে পারছেন না। তারা আরও বলেন, আমরা দিনের পর দিন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে ধরনা দিয়েও কোন সমাধান পাচ্ছিনা।
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সহিদ উল্লাহ বলেন, মাঠে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা ভুল করেছে। এটা নির্বাচন অফিসের কোন ভুল নয়। জীবিত ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত লেখা আসার ব্যাপারে লিখিত আবেদন পেলে তা সংশোধনের ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।