রাজশাহীর তানোরে দলিল লেখক ভাগ্নে ও মামী আটকের ঘটনা ধামা চাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এক শ্রেণির পাতি নেতারা। অপরদিকে, হাসপাতাল থেকে মামীকে নিজ আয়ত্বে নিয়ে অন্যত্র সরিয়ে রেখেন ভাগ্নে। (১০ আগস্ট) মঙ্গলবার রাতে প্রেমিক ভাগ্নে তার প্রেমিকা বিধবা মামীকে হাসপাতাল থেকে কোথায় নিয়ে গেছেন তা বলতে পারছেন না কেউ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রভাবশালী নেতারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে বিধবা মামীকে তার বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু প্রেমিকা বিধবা মামী তার প্রেমিক ভাগ্নের সাথেই থাকার দৃড় প্রত্যায় অটুট থাকায় প্রেমিকা বিধবা মামীকে প্রেমিক ভাগ্নে অন্যত্র সড়িয়ে রেখে উধাও হয়ে গেছে।
প্রসঙ্গ, তানোর সদরের হিন্দুপাড়ার মৃত পূর্ণ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তানোর সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের দলিল লেখক ভাগ্নে উত্তম চন্দ্র কর্মকার তার গ্রামের প্রতিবেশি বিধবা মামী ১ সন্তানের জননীর ঘরে (মামী ও ভাগ্নে) জনতার হাতে আটকের ১২ ঘন্টা পর পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারের ৫ দিন পর ভাগিনা তার মামীকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় ব্লেড দিয়ে হাত কেটে ও বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন।
এব্যাপারে তানোর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তিনি আরও বলেন, ওইদিন বিধবা মামি তার ভাগ্নের বিরুদ্ধে কোন মামলা না করায় ভাগ্নে উত্তমকে ১৫১ ধারায় আদালতে চালান দেয়া হয়। তবে, বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনাটি রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানা এলাকায় হওয়ায় সেখানেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে জানান ওসি।