জাকজমকপূর্ণ এবং উৎসবমূখর পরিবেশে শনিবার থেকে মণিরামপুরে গ্রামে গ্রামে করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) দেওয়া কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথমদিনে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৮টি কেন্দ্রে ৫৪ বুথে ১০ হাজার ৮০০ ব্যক্তির শরীরে এ টিকা প্রয়োগ করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শুভ্রা রানী দেবনাথ আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০০ জন নারী-পুরুষকে দুপুরের ভিতরে অধিকাংশ ইউনিয়নে টিকা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১০ হাজার ৮০০ জনকে প্রথমদিন টিকা দেওয়া হয়েছে। আর এরজন্য কাজ করছেন প্রতি বুথে ২ জন টিকাদান কর্মী ও ৩ জন স্বেচ্ছাসেবী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলার ১৮টি টিকা কেন্দ্রে ৫৪টি বুথে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩টি বুথ করা হয়েছে। ২টি বুথ সাধারনদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এ দুই বুথে বয়ষ্ক নাগরিক (পুরুষ ও মহিলা), প্রতিবন্ধী, অসুস্থ ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উন্মুক্ত। অপর ১টি বুথে কেবল মহিলাদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সর্বমোট ১০৮জন টিকাদান কর্মী, ১৬২ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ৫৪ জন আইটি শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ কর্মসূচি সফল করতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩ জন আইটি শিক্ষককে প্রতি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। টিকা নিতে আসা সাধারন জনগণকে রেজিস্ট্রেশনে সহায়তা করবেন এ সকল শিক্ষকরা।
শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি জানিয়েছেন, শনিবার কেন্দ্রগুলোতে যেন টিকা নেওয়ার জাকজমকপূর্ণ উৎসব চলেছে। সকাল থেকে জনগণ লাইনে দাঁড়িয়ে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তারা এ টিকা গ্রহণ করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রাম্যানগণ তাঁর নিজ নিজ ইউপি’তে আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান উৎসব উদ্বোধন করেন।
এদিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান, উপজেলা প.প কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ, সহকারি কমিশনার (ভূমি) হরেকৃষ্ণ অধিকারী করোনা টিকাদানের প্রথমদিন বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের টিকাদান কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন।