খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিএম মিজানুর রহমান তার গোনালী গ্রামের বাড়িতে উন্নত জাতের বেগুন চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি লাখ লাখ টাকা আয় করেন বেগুন চাষের মাধ্যমে।গত বছর মার্চ মাসে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয় বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষকরা হয়ে পরে বেকার। এ সময় ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিএম মিজানুর রহমান তার বাবা-মা, দুই ছেলে ও স্ত্রীসহ ৬ জনের সংসারে বড় ধরনের খরচের কথা বিবেচনা করে তিনি এ বেগুন চাষের কথা ভাবেন।তিনি বাড়ির বাইরে নিজস্ব ৩৬ শতাংশ পরিত্যক্ত জমিতে এ বেগুন চাষের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে ওই জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বেগুন থাইল্যান্ডে 'এরিয়ান' শুরু করেন।
তিনি গত বছর মার্চ মাসের শেষের দিকে ওই জমিতে ১২ শত বেগুন চারা রোপণ করেন। তাঁর এই জমির পরিচর্যায় ২ জন শ্রমিক কাজ করেন।মাত্র ২ মাসের মধ্যেই ওই বেগুন গাছে ফলন আসতে শুরু করে। শিক্ষক বিএম মিজানুর রহমানের ফলনের আগ পর্যন্ত ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়।উক্ত জমিতে ফলন আসার পর সপ্তাহে ১০-১২ মণ বেগুন বাজারে নিতে শুরু করেন।এ সময় তিনি প্রতি কেজি বেগুনের দাম পান ৪৫-৫০ টাকা।এভাবে তিনি ৫ মাস ধরে বেগুন বিক্রি করেন এবং জমিতে তার খরচ হয় ৭৫ হাজার টাকারও বেশি। এভাবে শিক্ষক মিজান বেগুন বিক্রি করে আয় করেন ৩ লক্ষাধিক টাকা। তিনি পুরাতন বেগুন গাছ কেটে পুঁইশাকের চাষের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা খরচ করে অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় করেন।