করোনা প্রতিরোধে কঠোর বিধি নিষেধের মধ্যেও সরাইল সদরে ও মহাসড়কে চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। দালাল চক্র ও নানাবিধ তদবিরে অতিষ্ঠ হাইওয়ে পুলিশ। কোন ভাবেই অটোরিকশাকে বন্ধ করতে পারছেন না তারা। তাই হাইওয়ে পুলিশ জেলা পুলিশের সহায়তায় গত শুক্রবার রাত থেকে স্থানীয় চারটি সিএনজি ফিলিং ষ্টেশনকে অটোরিকশার কাছে গ্যাস বিক্রয় করতে মানা করেছেন। তবে ২/১টি প্রতিষ্ঠানের বিরূদ্ধে প্রকাশ্যে দিনে ও রাতে অটোরিকশার কাছে গ্যাস বিক্রয়ের অভিযোগ ওঠেছে। সরজমিনে ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল অংশে রয়েছে চারটি সিএনজি ফিলিং ষ্টেশন। এ গুলো হচ্ছে সোপান, ফাহাদ, সাফকো ও গরীবে নেওয়াজ। শুক্রবার রাতে পুলিশ মানা করার পর ২/১ জন মালিকের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীতে আবার ঠিকই অটোরিকশার কাছে গ্যাস বিক্রি না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। তবে গতকাল রোববার বেলা ১টার দিকে দেখা যায় সাফকো ও গরীবে নেওয়াজ ফিলিং ষ্টেশনের গ্যাস সাপ্লাইয়ের মেশিনের কাছে দাঁড়িয়ে আছে ৩-৪টি করে অটোরিকশা। দায়িত্বে নিয়োজিতরা গ্যাস দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আবার দূর থেকে তাদেরই ২/১ জন লোক চিৎকার করে বলছেন গ্যাস দিও না। জনৈক শ্রমিক নেতা বলেন, নিয়ম সকলের জন্য সমান হবে। একজন কৌশলে সিস্টেম করে বিক্রয় করবেন। বাকীরা করবেন না। এটা হতে পারে না। আবার অনেককে রাতে অটোরিকশার কাছে গ্যাস বিক্রয় করতে দেখা যায়। খাটিহাতা হাইওয়ে থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো. শাহজালাল আলম বলেন, সরকারি আইন নয়। অটোরিকশা গুলোকে বন্ধ রাখতে জনস্বার্থে গ্যাস বিক্রয় না করতে ফিলিং ষ্টেশনের মালিকদের অনুরোধ করেছি। ওঁরা আশ্বাস দিয়েছেন। এখন যদি সহযোগিতা না করেন কিছুই করার নেই।