খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের লাখোহাটি উত্তরপাড়া এলাকায় একটি সরকারি পুকুর খননে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লাখোহাটি (উওরপাড়া) গ্রামে প্রায় ১০ (দশ) বিঘা জমি নিয়ে এ সরকারি দিঘিটি পুণঃখনন কাজের জন্য ১৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, যে ঠিকাদার কাজটি পেয়েছেন তিনি উক্ত এলাকার একজন রাজনৈতিক নেতাকে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় সাব কন্ট্রাক্ট দেয়। তিনি একটি মাটি কাটা ভেকু মেশিন দিয়ে কোন রকমে দীঘির চার পাশ থেকে সামান্য কিছু মাটি কেটে সমান করে চলে যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত দীঘিটি দীর্ঘদিন খনন না করায় (পুকুর) পরিত্যক্ত জলাশয়ে পরিণত হয়েছিল। সম্প্রতি দীঘিটির মাঝখানে ৩ ফিট গভীর,১০ ফিট পাড়, ১৫ ফিট বকচর করে কাটার কথা থাকলেও গভীরে মাটি কাটা হয়নি। চারপাশ ও মাঝখানে মাটি সাট দিয়ে কোন রকম দায়সারা ভাবে কাজ করে চলে যায়। উক্ত বিষয়টি দিঘলিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, ঐ কাজটি এলজিইডির আওতায় নয়। তবে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পুকুরটি জেলা পরিষদ, মৎস্য অধিদপ্তর অথবা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে খনন করা হতে পারে। পুকুরটি খননের আগে আরো ভালো ছিল। ১৭লাখ টাকার কাজে ২/৩লাখ টাকা খরচ করেছে। বাকী টাকা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আতœসাৎ করেছে বলে এলাকাবাসী জানান। উক্ত কাজের ঠিকাদারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পুকুরটি কোন দপ্তরের পক্ষ থেকে খনন করানো হচ্ছে তা জানা যায় নি। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে বিবরণী চার্ট ঝুলানোর নিয়ম থাকলেও ঠিকাদার অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার মানসে কোন চার্ট প্রদর্শন করেনি।এলাকাবাসী এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন সহ সকল উর্ধতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।