যমুনা গ্রƒপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা ও যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত নুরূল ইসলামের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সরাইলে মিলাদ এবং দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সরাইল প্রতিনিধি মুরাদ খানের উদ্যোগে আইরল ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিম খানায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, কলামিষ্ট, সরাইল প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। সরাইল প্রেসক্লাবের অর্থসম্পাদক ও নয়াদিগন্ত পত্রিকার সরাইল প্রতিনিধি আবদুল করিমের সঞ্চালনলায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আইয়ুব খান। মাওলানা আরিফুল ইসলাম কাশেমীর কোরআন তেলাওয়াতের পর বক্তব্য রাখেন- সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুব খান, মো. মুরাদ খান। উপস্থিত ছিলেন-প্রেসক্লাবের দফতর সম্পাদক ও বিজয় টিভির সরাইল প্রতিনিধি মোহাম্মদ মাসুদ, নোয়াগাঁও ইউপি জাপা’র সভাপতি হাফেজ আলী নেওয়াজ, এতিমখানার নায়েবে মুহতামিম হাফেজ মোখতার হোসাইন, মালিহাতা মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মুফতি নুরূল ইসলাম, আইরল মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহীম খলিল, ক্বারী সাইফুল ইসলাম, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আবদুর রহমান ও মাওলানা রেজুয়ানুল হক রতন প্রমূখ। বক্তারা বলেন, শিল্পপতি ও জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান নুরূল ইসলামের মনে দেশপ্রেম ছিল। মানুষকে ভাল বাসতেন। পরোপকারে আনন্দ পেতেন। যমুনা গ্রƒপের ৪১টি প্রতিষ্ঠানে তিনি হাজার হাজার মানুষকে কর্ম দিয়েছেন। দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূরীকরণে অসাধারণ ভূমিকা ছিল তার। তিনি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪১টি প্রতিষ্ঠান করে প্রমাণ করেছেন অধ্যবসায় দ্বারা যেকোন কাজ সাধন করা সম্ভব। মানুষ তাকে যুগ যুগ ধরে মনে রাখবেন। ওঁর কর্ম গুণে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন আজীবন। নুরূল ইসলামের বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মুফতি আবুল কাশেম হাশেমী।