কঠোর লকডাউনের ১১তম দিনে সরাইলের মহাসড়ক সিএনজি চালিত অটোরিকশার দখলে। অন্যকোন যাত্রীবাহী যানবাহন নেই। সুযোগে তারা প্রশাসনের লোকজনের চোখের সামনেই টানছেন যাত্রী। যাত্রী ও চালকদের মধ্যে নেই স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই। যাত্রীর জন্য অবস্থান করছেন সড়কেই। গতকাল সকাল পোনে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের কুট্রাপাড়া মোড়ের আশপাশে ও বিশ্বরোড মোড়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। সড়ক মহাসড়ক ও মার্কেট গুলোতে নারী পুরূষের উপস্থিতি গিলে খেয়েছে সরাইলের লকডাউন। সরাইল সদরের অধিকাংশ দোকানের সামনে বসে আছেন মালিক ও কর্মচারীরা। দোকানের এক শাটার খোলা। কাষ্টমার এসে ইশারা দিলেই হলো। ভেতরে প্রবেশ করে নামিয়ে দেন শাটার। এখন আর জুতা বাহিরে রাখেন না। ইচ্ছেমত চলে বিক্রয়। কাজ শেষ করে বেরিয়ে পড়েন। লকডাউনের আইন অমান্য করে বকুল তলায় একটি মার্কেটে বিক্রয়ের কাজ চলছে। তড়িৎ হাজির হন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা প্রিয়াংকা। কাষ্টমারদের ভেতরে রেখেই তিনি মার্কেটটি তালাবদ্ধ করে দেন। এর আগে তিনি সরাইল সদরের প্রধান সড়কের পাশের শাহ ফার্ণিশার্সকে একই অপরাধে তালাবদ্ধ করেন। বেলা দেড়ার দিকে ওই ফার্ণিশার্স ব্যবসায়িকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সরাইলের ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে শুধু অরূয়াইল বাজারে লকডাউন মানছেন অনেক ব্যবসায়ি। এ ছাড়া উপজেলার কোন গ্রামেই লকডাউন মানছেন না লোকজন।