বগুড়ার কাহালুতে ইউএনও মোঃ মাছুদুর রহমানের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ হতে রক্ষা পেল ৪র্থ শ্রেণির স্কুল পড়-য়া ছাত্রী। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- ও চার জনের অর্থদন্ডের আদেশ দেন তিনি।
শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাহালুর মহেষপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের বাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান চালিয়ে বাল্য বিবাহ বন্ধ করেন দেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাছুদুর রহমান।
করোনাকালীন সময় বিয়ের প্রস্তুতি এবং বাল্য বিবাহ প্রদানের চেষ্টা করায় ‘বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৮ ধারায়’ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কাহালু সদর ইউনিয়নের কাজী ও উপজেলার আখুঞ্জা গ্রামের মৃত মহসিন আলীর পুত্র আবদুল গফুর (৪৬) কে ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, বর নওগাঁ সদর উপজেলার খয়রাবাদ গ্রামের বেলাল মন্ডলের পুত্র মোমিন মন্ডল (৩০) কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- ও কনের ফুফা কাহালু উপজেলার মহেষপুর গ্রামের মিয়াজান আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম (৪৫) কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়। এছাড়াও কনের ফুফু কাহালুর মহেষপুর গ্রামের রফিকুলের স্ত্রী খালেদা বেগমের ৪ হাজার টাকা, বরের দুলাভাই জাহাঙ্গীর আলমের ৩ হাজার টাকা, বরের দাদা আনিছুর রহমানের ৩ হাজার টাকা ও বরের বড় আব্বা সেকেন্দারের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাছুদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাহালু থানার এস আই ও নারী ও শিশু হেল্পডেস্ক এর ইনচার্জ গুলবাহার খাতুন, রেজাউল করিম, আল আমিন, এ এস আই প্রদীপ কুমার সাহা সহ আনসার ও পুলিশের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, কাহালু পৌর এলাকার সাগাটিয়া গ্রামের ইছাহক খানের মেয়ে ৪র্থ শ্রেণীর স্কুল পড়-য়া ছাত্রীকে গোপনে তার ফুফুর বাড়ীতে বাল্য বিবাহ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল।