খুলনার পাইকগাছায় প্রেমের পরিনতিতে কিশোরী' মাতার সন্তান ও পরবর্তীতে বিয়ের ৮ মাস পর কিশোরী মাতা কলেজ ছাত্রী জ্যোতিকে মারপিট করে ১০ মাসের সন্তান সহ শ্বশুরবাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আলোচিত এ ঘনাটি ঘটেছে উপজেলার লস্কর ইউপি'র খড়িয়া গোয়ালবাড়িয়ার চকে।
জানাগেছে, গোগালবাড়িয়া চকের কিনারাম ঢালীর মেয়ে বর্তমানে গড়ইখালী কলেজের ১ বর্ষের ছাত্রী জ্যোতি ঢালীর সাথে খড়িয়া লেবুবুনিয়া চকের দিপক মন্ডলের ছেলে শুভ'র সাথে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সম্পর্কের শেষ পরিনতিতে গত বছর ২৯ আগস্টে জ্যোতি কুমারী অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লে¬ক্সে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এ ঘটনাটি গণমাধ্যমে এলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে। শেষ পর্যন্ত সমালোচনার মুখে দিপক মন্ডলের পরিবার এলাকায় কোন ঠাসা হয়ে পড়েন। এ ঘটনাটি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ালে দিপক মন্ডল মামলার ভয়ে মিমাংসা ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে জ্যোতি ও তার ভূমিষ্ট কন্যা সন্তান রিত্তিকাকে নিয়ে বাড়ীতে যান। এ বিষয়ে জ্যোতির বাবা কিনারাম ঢালী সহ স্থানীয়রা জানান, দিপক মন্ডল স্থানীয় পূজা মন্দিরে তাঁর ছেলে শুভ'র সাথে জ্যোতির বিবাহ দিয়ে ঘরে তোলেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে দিপক কৌশলে জ্যোতি ও সন্তানকে বাড়ীতে আশ্রয় দিলেও মনের দিক থেকে মেনে নিতে পারেননি। জ্যোতি'র পরিবার অভিযোগ করেন কারনে-অকারনে মেয়ের উপর গালমন্দ ও অত্যাচার চালায় এবং হাতের শাঁখা ভেঙ্গে দিপক ও তার স্ত্রী মারপিট করে শিশু সন্তান সহ জ্যোতিকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। জ্যোতি অভিযোগ করেন স্বামী শুভ'র ইঙ্গিতে এসব কিছু হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে শুভ বাড়ী থেকে উধাও। মেয়ের এহেন অবস্থায় কিনারাম পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছেন। শেষ পর্যন্ত জ্যোতির বাবা সমস্যা সমাধানে ইউপি চেয়ারম্যান সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।