বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলা সদরে সরকারি নির্দেশনা না মেনে বেশি মোনফা লাভের জন্য হায়ার এন্টিবায়টিক ব্যবহার এবং টেস্ট বাণিজ্য করে অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমান। তার চেম্বারে ত্বোহা মেডিকেল হল’এ বসে চিকিৎসাপত্র না লেখার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আবুল হাসেম। তার বিরুদ্ধে উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার বকতিয়ার আল মামুন তিন সদস্যে বিসিষ্ট একটা টিম তদন্ত করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানগেছে, আগৈলঝাড়ায় উপজেলা সদরে সরকারি নির্দেশনা না মেনে এন্টিবায়টিক ব্যবহার এবং টেস্ট বাণিজ্য করে নামে অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমান। তার এতে করে সাধারণ মানুষের অপচিকিৎসার শিকার হয়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। লকডাউনের এই সময়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে রোগীদের অপচিকিৎসা দিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে বিপুল পরিমান অর্থ। পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানের অপচিকিৎসা বারবার বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশ হলেও অদৃশ্য কারণে সে সরকারি নির্দেশ না মেনে এন্টিবায়টিক ও এস্ট্রোয়েট ব্যবহার করে আসছে। বৃহস্পতিবার সকালে পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমানকে তার চেম্বারে(ত্বোহা মে.হল) খুজে না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাইল কোর্ট এক্স্রিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.আবুল হাসেম ঐ ফার্মেসীতে পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমান যেন আর ব্যবস্থাপনা না লিখে, চেম্বার না করে এবং কোন ধরনের এন্টিবায়টিক এবং এস্ট্রোয়েট ব্যবহার না করার নির্দেশ প্রদান করেন স্থানীয় ত্বোহা মেডিকেলের মালিককে।
এ বিষয়ে উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার বকতিয়ার আল মামুন বলেন, পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমানকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে সে যেন এন্টিবায়টিক ব্যবহার না করে এবং সিভিল সার্জনের নির্দেশে পল্লী চিকিৎক আনিসুর রহমানের বিষয়টি তিন সদস্যে বিসিষ্ট একটা টিম তদন্ত করছেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক আনিসুর রহমান এর সাথে যোগাযোগের চেষ্ট করে পাওয়া জায়নির বলে তার বক্তব্য দেয়াগেলোনা।