কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সরাইলের মাঠে দেখা মিলেছে সেনা বাহিনীর। মূহুর্তের মধ্যে ফাঁকা হয়ে গেছে রাস্তা ঘাট। এমনকি হাট বাজার গুলোতেও কমে গেছে লোকজনের উপস্থিতি। সকাল থেকেই মাঠে ছিল পুলিশ। দিনভর সরাইলের বিভিন্ন গুরূত্বপূর্ণ স্থান সমূহে ঘুরেছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আরিফুল হক মৃদুল। লকডাউনের আইন অমান্যকারীদের জরিমানাও করেছেন ইউএনও। তবে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল মোড়ে ছিল মানুষ ও যানবাহনের অকল্পনীয় ভীর। উপজেলার সকল মসজিদে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে লকডাউন পালন ও মহামারি মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশ মেনে চলার উপর খুৎবার আগে বক্তব্য রাখেন ইমাম সাহেবরা। বিকেল ৩টার দিকে যোগ দিয়েছেন সেনা সদস্যরা। সরজমিনে দেখা যায়, প্রথম দিনের তুলনায় শুক্রবার কঠোর লকডাউন অনেকটা কঠোরই হয়েছে। প্রধান সড়ক সমূহে সিএনজি চালিত অটোরিকশা গুলোকে ওঠতে দেননি ইউএনও ও পুলিশ। মাস্ক বিহীন চালক ও যাত্রীদের বিধি মোতাবেক জরিমানা করেছেন। গত বৃহস্পতিবারের মত সড়ক মহাসড়কে ওঠেনি সিএনজি চালিত অটোরিকশা গুলো। মানুষের চলাফেরাও ছিল কম। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলার সকল মসজিদে খুৎবা পাঠের আগে কোরআন হাদিসের আলোকে লকডাউন পালন ও মহামারি করোনা মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়নের বক্তব্য রাখেন ইমামরা। মুসল্লিদেরকে মসজিদে মাস্ক পড়ে মসলা নিয়ে প্রবেশ করার অনুরোধ করেন। নামাজ শেষে করোনায় আক্রান্ত, মৃতসহ সকল অসুস্থ মুসলমান নরনারীর জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিকাল ৩টার দিকে সরাইলের সড়কে দেখা মিলে সেনাবাহিনীর। মূহুর্তের মধ্যে রাস্তা গুলো জনমানব শুন্য হয়ে পড়ে। দোকানপাট ও আশপাশের লোকজন সটকে পড়েন। সরাইলের বিশ্বরোড ও কুট্রাপাড়া মোড় ছিল অনেকটা ফাঁকা।