বরিশালের উজিরপুরের হারতা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য’র ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে শঙ্কা। পরিবারে দাবী হত্যা। ২৬ জুন সকাল ৯টায় হারতা বাজারের একটি ফার্মেসী থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিনতি ভাংড়া ওরফে মিতু নামক এক মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। এলাকাবাসির বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায় উপজেলার হারতা ইউনিয়নের জামবাড়ি গ্রামের কালাম সরদারের ভাড়াটিয়া ওই গ্রামের মৃত শিব ভাংড়ার কন্যা মিতুর ঘরে গত শুক্রবার রাতে মৃত নারায়ন চক্রবর্তীর ছেলে ও ইউপি সদস্য নিখিল চক্রবর্তীর ভাই ব্যবসায়ী ২ সন্তানের জনক বাসুদেব চক্রবর্তী টুনু(৪৫) মিতুর ঘরে যায়। রাত ৩টার সময় টুনু অসুস্থ্য হয়ে পড়লে মিতু ও তার ভাই বিজয় ভাংড়া স্থানীয় গ্রাম পুলিশ গৌতমকে খবর দেয়। এরপর গৌতম এসে টুনুকে মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখে স্থানীয় নয়ন চক্রবতী, হর বিশ্বাস, হরিপদ বল্লভসহ লক্ষণ পাড়ের ভ্যানযোগে হারতা বাজারের পল্লী চিকিৎসক নগেন চন্দ্র নাথ এর ফার্মেসীতে নিয়ে আলে চিকিৎসার সময় ভোর ৪টায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
নিহত’র ভাই ইউপি সদস্য নিখিল চক্রবর্তী জানান, আমার ভাইকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে আত্মহত্যার অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এলাবাসী হত্যার বিচারের দাবীতে বেলা ১১টায় হারতা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে।
বিক্ষভকারিরা বলেন, মিতু ভাংড়ার প্রথম বিবাহ হয় কোটলিপাড়ার রামশীল। সেখানে ২টি সন্তান রয়েছে। ২য় বিবাহ হয় কুচিয়ারপাড় হিরো মল্লিকের সাথে সেখানেও ১টি পুত্র সন্ত্রান রয়েছে। মিতু ভাংরার সাথে পরকিয়ার জেরেই তার ভাই বিজয় ভাংরা(৫২),উত্তম ভাংরা(৪২) মিলে ব্যবসায়ী টুনুকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে।
এব্যপারে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জিয়াউল আহসান জানান, বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং মিতুকে আটকম করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।