ঘর মালিক নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ডিড সম্পাদন ও অগ্রিম টাকা নিয়ে ব্যাংক পরিচালনার সুযোগ দিয়ে ডিড মোতাবেক কাজ না করে ব্যাংকের কাজে বাঁধা সৃষ্টি এবং হুমকী ধামকী ও ডিড ক্যান্সিলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানা পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যান ও বাজার বণিক সমিতি উভয় পক্ষকে নিয়ে বসাবাসি করলেও মালিক সিদ্ধান্ত না মেনে ভিন্ন পথে হেটে ব্যাংকের ভাবমূর্তি নষ্ট ও স্বাভাবিক পরিচালনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজারে ইসলামি ব্যাংক লিঃ এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায়।
ব্যাংকের স্বত্ত্বাধিকারী মেজবাহুল আলম জানান, বুধহাটা গ্রামের আঃ মালেক ঢালীর কাছ থেকে মালেক মার্কেটের ২য় তলা ব্যাংকের শাখা অফিস হিসাবে ব্যবহারের জন্য ১০ বছরের ভাড়া চুক্তি সম্পাদন করেন বিজ্ঞ লোটারি পাবলিকের কার্যালয় সাতক্ষীরায়। ১০ বছরের জন্য ভাড়া নির্ধারিত হয় ১২ লক্ষ টাকা। নির্মান সহায়তা ও জামানত বাবদ ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করেন বাকী ৮ লক্ষ টাকা ১২০ মাসে প্রদানের শর্তে টাকা পরিশোধ করে আসছেন। চুক্তি মোতাবেক ২য় তলায় মোটর পাম্পের ব্যবস্থা করা, ২য় পক্ষের যানবাহন পার্কিং এর জন্য সিঁড়ি ঘর ব্যবহার করতে দেওয়া, গ্রাহকদের জন্য পর্যাপ্ত পার্কিং এর ব্যবস্থা করা, ৩টি বাথরুম করে দেওয়া, ২য় তলায় দৈর্ঘ্য ৫৬ ফুট ও প্রস্থ ৩৩ ফুট ব্যবহার করতে দেওয়ার ডিড থাকলেও ১ম পক্ষ তথা ঘর মালিক তা এখনো করে দেননি। এমনকি এসি লাগানোর সময় বাধা প্রদান করা হয়। ফ্লোরের ৬ ফুট/১৫ ফুট জবর দখল করে রাখা হয়েছে। পার্কিং এর সিঁড়ি ঘর অন্যত্র ভাড়া দিয়ে চুক্তি ভঙ্গ ও ব্যাংকের গাড়ি পার্কিং এ বাঁধা সৃষ্টি করেছে। এমনকি স্বত্ত্বাধিকারীকে প্রকাশ্যে হুমকী ও নাজেহাল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে বাজার বণিক সমিতি, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশ মিমাংসার চেষ্টা করলেও তাদের সিদ্ধান্ত অমান্য করা হচ্ছে। বরং তিনি ডিড ক্যান্সিল করে ব্যাংকের শাখা বন্ধ করে দেওয়ার পায়তারা ও হুমকী দিয়ে যাচ্ছেন।
ঘর মালিক ২য় পক্ষ আঃ মালেক জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ডিডের শর্ত ভঙ্গ করেছে, সিঁড়ি নীচের ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসাকারীর মুখে গাড়ী রেখে তাকে ব্যবসা পরিচালনায় বাধা দিচ্ছে। বিধি মোতাবেক আমি শর্ত ভঙ্গসহ যৌক্তিক কারণে আদালতের আশ্রয় নিয়ে ডিড বাতিলের কার্যক্রম করছি।
বুধহাটা বাজার বণিক সমিতির সেক্রেটারী ফারুক হোসেন বলেন, আমরা সমিতির পক্ষ থেকে পুলিশের সাথে যৌথ ভাবে এবং ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত দিলেও ঘর মালিক মানেননি। তিনি চেয়ারম্যান, থানা পুলিশ কিছুই মানেননা। একই ঘর ৩ জনকে ভাড়া দিয়ে প্রতারনা করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করে ব্যাংকের মত একটি প্রতিষ্ঠানকে হয়রানীর হাত থেকে রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।