বগুড়ার শেরপুরের আটাইল গ্রামে স্বামীর উপর অভিমান করে ২৪ জুন বৃহস্পতিবার রাতে গৃহবধু আদুরী খাতুন(৩০) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক। নিহতের পরিবারের দাবী তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। স্বামীর বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ।
নিহতের স্বজন ছাবেদ আলী জানান, একছর পুর্বে হানিফের সাথে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বিনাইতপুর গ্রামের মৃত তাহের মন্ডলের মেয়ে আদুরীর সাথে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আটাইল গ্রামের হানিফ উদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে নানা সমস্যার সৃষ্টি হলে তাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ায় হয়। কিন্তু ৬দিন পুর্বে তাকে সমঝোতার মাধ্যমে আবারো স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বৃহস্পতিবার রাতে আমরা খবর পাই সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার সকালে এসে দেখি লাশ থানায়। তার শরীরে ফাঁস দেয়ার কোন চিহ্ন নেই। তাকে মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
শেরপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, খবর পেয়ে রাতে লাশ উদ্ধার করেছি। গৃহবধুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার ভাই নূর মোহাম্মাদ বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। তবে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা আমরা এখনই বলতে পারছি না।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে এনেছি। তার মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করার জন্য লাশ ময়নাতদন্ত করা হবে। রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।