মণিরামপুরের সর্বত্র কঠোর লকডাউন পালিত হলেও কতিপয় দোকানে লুকোচুরি লকডাউন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যে বিষয়টি নিয়ে বাজারে অন্যান্য ব্যাবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানাযায়, গত বুধবার (২৩জুন) থেকে মণিরামপুরের সর্বাত্মক এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশ মোতাবেক ঔষধ, মুদি ও কাঁচামাল দোকান বাদে মণিরামপুর পৌর শহরসহ বিভিন্ন বাজারে সকল দোকানপাট এক সপ্তাহ বন্ধ থাকার ঘোষণা করা হয়। প্রশাসনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে পৌর শহরসহ অধিকাংশ বাজারের ব্যবসায়ীরা সকল দোকানপাট রাখেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে পৌর শহরের কতিপয় ব্যবসায়ী প্রশাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের নির্দেশনা অমান্য এবং স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান খোলা রাখছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর শহরের মাস্টার টেইলার্স, আবেদা বস্ত্রালয়, আল-আমিন গার্মেন্টস, জননী বস্ত্রালয়, সাত্তার বস্ত্রালয়, কুন্ডু গার্মেন্টস, ভাই-ভাই ক্লথ, রাকিব ক্লথ ষ্টোরসহ কয়েকটি দোকান খোলা দেখা গেছে। তবে এ সকল ব্যবসায়ীরা দোকানের অধিকাংশ সাটার বন্ধ রেখে এক সাটার অথবা অর্ধ-সাটার খুলে রেখে বেচা-বিক্রি করার দৃশ্য দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এক প্রশ্লের জবাবে কাপুড়িয়া পট্টির সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক সকল ব্যবসায়ীকে এক সপ্তাহের জন্য দোকানপাট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির ব্যবসায়ী আমাদের এবং প্রশাসনের কথার তোয়াক্কা না করেই এক সাটার খুলে রেখে বহাল তবিয়দে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে একাধিক দোকান মালিকও অভিযোগ করেছেন। তাঁর ভাষ্যমতে এহেন কর্মকান্ডের দায়-দায়িত্ব ব্যবসায়ীর নিজেরই নিতে হবে।