খুলনার দিঘলিয়ায় কঠোর লকডাউনের মধ্যে অধিকাংশ এনজিওগুলো জোর-জুলুম করে কিস্তির টাকা আদায় করছে। একপ্রকার বাড়ীতে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় আয়-রোজগার না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় ঋণ গ্রহীতারা চরম বিপাকে পড়েছে। জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। মাসিক-সাপ্তাহিক হিসেবে এনজিওগুলো ঋণের কিস্তির টাকা আদায় করা হয়। বর্তমানে উপজেলায় চলমান কঠোর লকডাউনের সময় সকল ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ ও সাধারণ মানুষ একপ্রকার গৃহবন্ধী অবস্থায় রয়েছে। আয়-রোজগারের পথ বন্ধের উপক্রম। এরইমধ্যে অধিকাংশ এনজিও তাদের দেয় ঋণের কিস্তি আদায়ে কঠোর অবস্থানে থাকায় সাধারণ মানুষ নাজেহাল হচ্ছে। অনেকেই কিস্তির সময় বাড়ী ছেড়ে অন্যত্রে গেলেও রাত্রিকালীন সময় যেয়ে ঋণ আদায়ে চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দিঘলিয়া ইউনিয়নের ফরমাইশখানা মোড়ল পাড়ার ইয়াসিন মোড়ল ও পলাশ মোল্লা বলেন, আাশা ও পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউ-েশনের ঋণের টাকা না থাকায় তাদর স্ত্রী বাড়ী থেকে সরে পড়েন। দিনের বেলায় তাদের না পেয়ে আদায়কারী রাতে তাদের বাড়ীতে যেয়ে কিস্তির টাকা আদায়ে চাপ সৃষ্টি করে। এসব এনজিওএর কয়েকজন আদায়কারী এ প্রতিবেদককে জানান, প্রথম ধাপের করোনাকালীন কিস্তি তোলা নিষিদ্ধ থাকলেও এবার এধরনের বিধি নিষেধ নেই। তাই আমাদের কিস্তি আদায় করতেই হবে। তবে ঋণ গ্রহীতারা জানান, বিগত করোনাকালীন এনজিওগুলো কিস্তি আদায় বন্ধ রাখলেও পরবর্তী সময়ে চড়া সুদ আদায় করে নিয়েছে। কিন্তু এবছর করোনার প্রভাব এবং চলমান লকডাউনে দিঘলিয়ার সিংহভাগ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। এসব ঋণ গ্রহীতারা নানা এনজিওর তাড়নায় লোকজন ঘরবাড়ি ফেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়।